টিভ্তরঙ্জন ঘোম্রাল ক্রতূক্ত অনুদিত এবৎ তারকেশ্বর মঠাধীশ দন্ডিদ্বা্ি হৃমীকেশাশ্রয়, ডঃ লমানভ্ল স্ুশ্োপাধ্র্যামন, উপাচাধ, বববীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, ডঃ ল্রঘা চৌল্রুল্লী কতৃক মুখবন্ধ, ভূমিকা - প্রাসঙ্গিকী সম্বলিত

পুর্বাছন্ল

৮, মভাক্সা! গান্ধী রোড কলিকাতা-৯

িসুধান্দ্র চৌধ্রণ

প্রথম প্রকাশ £ ডিস্হ্বের ৯৯৬৮

প্রচ্ছদ £ 'বিভূতি সেনগুপ্ত

মুদ্রক শ্রীশত্কর নারায়ণ হাজরা মিতালী পপ্রিশ্টাস'

, রাজা নবকৃষ্ণ স্ট্রিট কালিকাতা-৫

মুখবন্ধ জয়গুর

আপ শুলধরো নিরাময়ো দঢ় বৈরাগ্ারতোহপিরাগধান: | আপ ভৈক্ষ্যচরো মহেন্বরশ্চারতং চিত্রামদং তে,প্রেভো যিনি শল-(ভ্রশল ) ধারী হইয়াও নিরাময় অথনৎ মঙ্গল [িধানকারণী, দঢ়তর বৈরাগাণূত্ত হইয়াও স্বভ্কুলের প্রাত অনুপাগয্ুত্তঃ দানি ভৈক্ষচ্যযা পরায়ণ হইয়াও মহে*্বর, হে প্রভো ! তোমার এই বিচিত্র চারশ প্রসিদ্ধ শিবভন্তি-পরায়ণ খাঁষ উপমন্যার এই একটি শ্লোকের মধোই পরমে*বর মহাদেবের অষ্ভুত চারন্ত্ চিত্রণ করা হইয়াছে আলোচ্য গ্রন্ছটি অন্টাদশ মহাপুরাণের অন্তর্গত স্কন্দ মহাপুরাণের অংশাবিশেষ যাহা কাশীখণ্ড নামে চাহৃত। এই কাশশীথণ্ডে একশতাট অধ্যায় রাহয়াছে যাহাতে মলত আবম ক্ষেত্র কাশর মাহাত্ম্য কাশীপুরীর মূল আরাধ্য দেবতা মহেষ্বরের মহত্ব বর্ণনা করা হইয়াছে নী চিত্তরঞ্জন ঘোষাল মহোদয় অত যত সহকারে কাশীখণ্ডের বঙ্গানুবাদ কারয়াছেন। তাঁহার অনুদিত সমগ্র গ্রন্হটির পান্ডু'লাঁপ আমার দ:ম্টগোচর হইবার সুধোগ হয় নাই মাত্র কিছু অংশ বিশেষের মদত রূপ দোখবার সুযোগ হইয়াছে যদ্্রপ প্রভূত পাঁরমাণ তণ্ডুল পাক কাঁরয়া তাহা স্াসদ্ধ হইয়াছে কিনা এক দুইটি তণ্ডুল স্পর্শ কারলেই অনুভূত হইয়া থাকে ইহা এসম্ধ আসদ্ধ, তদ্রুপ বিচার-ধারা প্রয়োগ কারিয়া সিদ্ধান্ত করিতে পারা ধায় নীচত্তরঞন ঘোষাল মহোদয় কর্তৃক অন্াদত কাশীথস্ড মূল গ্রন্হের ভাবাভি- ব্যান্ত করিতে সমথ হইবে অবশ্যই মুল গ্রন্হটি সংস্কৃত ভাষায় উপানবদ্ধ। মূল ভাষার সাহত মৃলভাবের যে আঁভব্যান্ত হইয়া থাকে তাহা অনুবাদে সধ্বতোভাবে প্রকাশিত করা সম্ভবপর হয় না। বঙ'মান সময়ে সর-সরস্যতীর স্নিগ্ধ সলল-রাশতে অবগাহন করিবার স্মযোগ সকলের পক্ষে সম্ভবপর নহে অথচ এমন কিছ; ব্যান্ত আছেন ধাহারা পৌরাণিক আখ্যান তাহার মাহ স্যা সম্পকে জানবার আগ্রহ পোষণ কাঁরয়া থাকেন। সেই আগ্রহম্ম্পন্ন অথচ সংস্কৃত ভাষায় অনভিজ্ঞ শ্রদ্ধাল; 'বাবাদিষং ব্যান্তগণের জন্যই সম্ভবত এই বঙ্গান;বাদময্ কাশীথণ্ড নামক গ্রন্হটির প্রকাশ কাধণ হইতেছে এই জন্য

৮]

অনুবাদকারণ শ্রী চিত্তরঞ্জন ঘোষাল মহোদয় প্রকাশক সংচ্ছা পাধুধাদাহ ॥" নী চিত্তরঞ্জন ঘোষাল মহোদয়ের বঙ্গানুবাদের যে ধারা অঙ্প হইলেও যাহ! দেখিয়াছি তাহা সহজবোধ্য ভাষায় উপাঁনবদ্ধ হইয়াছে, যাহা সাবলীল গাঁতিষুন্ত তথা প্রসাদগ্ণ যুস্ত। যেহেতু আলোচ্য গ্রন্থে কাশীমাহ্াত্ম্য কাশীশ্বর মহাদেবের মহত্ব প্রখ্যাপিত হইয়াছে তথ্জন্য কাশী*্বর মহাদের্য অর্থাৎ পরমেশ্যর শিব সম্পর্কে কিছু সংক্ষিপ্ত আলোচনা করিবার প্রয়াস পাইতোছ। কিছু কিছ: ব্যক্তির ধারণা ভাবনা প্রকাশ পাইয়াছে ষাহাতে শিব নাক বোদক দেবতা নহেন 'তাঁন অনার্ধযগণের আরাধ্য রূপেতেই প্রথমে পাাজত হইতেন, পরে দেবসমাজে চ্হান করিয়া লইয়াছেন। ইহা যে নিতান্ত অসার তাহা অনুসান্ধিংসু সুধী মাত্রেই অনুভব কাঁরবেন। পরাণাদি গ্রচ্হে শিবের আঁভধারুপে যে পদসমহ প্রচালত রাহয়াছে তং তৎ নাম কেবল পুরাণাদি শাস্ত্রের মধ্যেই নাই আপতু মূল বেদ-মন্দ্ের মধ্যেও নাম শিবকে লক্ষ্য কাঁরয়াই উত্ত হইয়াছে অনঃসম্ধিংসু পাঠকের জন্য কয়েকটি উদাহরণ 'নম্নে দিতোছ

রুদ্র (শুরু বজুবেদ ১৬ অধ্যায় ১ম মন্ত্র), 'গারশ (শু, বজ, ১৬২ ), কপর্দী ( শু, যজ;, ১৬|৭ ) পশুপাঁতি (শু, যজু ১৬1১৭ )১ 'শিতিকণ্ঠ (শু যজ, ১৬1২৮ )১ সব্্য (শু, বজ;, ১৬1২৮), ভব (শু, বজঃ ১৬1২৮), উগ্র ( শু, যজ, ১৬1২৮ )১ ভীম (শু, যজ। ১৬1৪১), শঙ্কর (শু জন ১৬1৪১), নীললোহিত ( শু; যজ., ১৬1৪০ )১ গড় (শু, ষজু ১৬1৪৯ ), ঈশান (শু, যজু (১৬1৫৩) ত্র্যদ্বক (শু, জু ৩1৬০), কৃ্তিবাসা (শু যজু ৩1৬১)? মহাদেব (শু বজু ৪৯1৯ )--ইহা কেবল সত্রাকারেই দেওয়া হইল, সমস্ত বেদ ভাগেই অনুসন্ধান কাঁরলে 'শববাচক প্রচলিত পদ্সমূহ পাওয়া যাইফে' লেখাই বাহুলা শাস্ত বাঁলতে শ্রুতি, স্মাত পূরাণাদকে বোঝায় ্মতি, পুরাণাঁদ অপেক্ষা শ্রুতির শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণগত বলধত্ব শাস্তীয়' সিদ্ধান্তে স্বীকৃত হইয়াছে বদ্যাপ শ্রুতি স্মৃতিধাক্ের মধ্যে কোন বরোধ বা বিরোধাভাস পারলাক্ষত হয় তখন শ্রুীতবাক্যের প্রামাণ্যই আঁধকতর বলবস্তর বলিয়া গ্রহণযোগ্য প্রমাণম্বরূপ এইরূপ শাস্তীয় সম্ধাস্ত সব্ববাদসদ্মত উপাঁর উদ্ধৃত 'শববাচক পদসমূহ থেহেতু মূল বৈদিক মন্ত্রের মধ্যে রাহয়াছে অতএব শিব যোঁদক দেবতা নছেন এই উত্তি ধৃত্তিহীন অতএব গ্রহণযোগ্য নহে সূষ্টি, শ্ছিতি প্রল়রপ ক্রিয়া

গা

[নবণহ কারবার জন্য ব্রচ্জা, বিফ, মহেশ্ধর এই ব্রিদেবতার উল্লেখ নানা শাদ্রে পারদন্ট হয়। অনেকে হয়তো বোদক মন্দের মধ্যে শুরু যজবেদের ষোড়শ অধ্যায়ে বার্ণত কিছ? কিছু পদের আক্ষারক অর্থের বিচার কাঁরয়া শিবকে অনাধযগণের দেবতা রূপে চাহুত কাঁরতে প্রয়াস পাইতে পারেন তাঁহাদের উদ্দেশ্যে সবিনয়ে নিবেদন কারতোছি 'যাঁন সব্বেশ্বির তান কেবল 'যাঁহারা ভদ্রাচরণ-পরায়ণ তাঁহাদেরই ঈম্বর অথচ ধাঁহারা অভদ্রাচরণ-পরায়ণ তাঁহাদের ঈশ্বর নহেন ইহা হইতে পারে না, কারণ সেক্ষেত্রে সব্বশব্দের ব্যাপকত্তের হান হইবে সুতরাং সেই দ-ঘ্টভঙ্গি লইয়াই ( সম্মতাম- পতয়ে নমঃ শু যজু। ১৭1২১, তস্করাণাং পতয়ে নমঃ শু) যজু। ১৬1২১) সব মন্ত্রের উল্লিখত সব পদ্সমুহের তাৎপর্য মূলক অর্থ প্রাচীন ভাষ্যকারগণ 'লাখয়াছেন। সেই অথ পাঁরত্যাগ কারবার কোন কারণ আছে বাঁলয়া মনে হয় না। বস্তুতঃ ধিনি আরাধ্য যাঁহাকে আবাহন করা হইতেছে আরাধনা করা হইতেছে তাঁহার প্রাত কটঠন্ত করা কখনই সম্ভবপর নহে, ইহা লাধারণ 'ববেচনায় অনুভূত হইয়া থাকে। বেদবাকাসমূহ নিগঢ্ার্থক। বাক্যসমহের তাৎপর্য উপক্রম উপসংহারের একবাক্যতা রক্ষাপুব্কক শাম্প্রণালী অনুসারে অনুভব কারতে হইবে স্বকপোল-কা্পত বিচার প্রয়োগ কাঁরয়া নহে। শ্রুতি প্রাতিপাদিত ব্রদ্ধ নিগ্ণঃ নিরাকার, 'নার্বশেষ, কিন্তু মন্দপ্রজ্ঞ ব্যান্তগণের জন্য নিরাকার আকার পাঁরগ্রহ করিয়া থাকেন। “চম্ময়স্যা ছিতীয়স্য নিছকলস্যাশরশীরণঃ উপাসকানাম- কাষার্থম: ব্র্ধণোর্প কজপনা ॥৮-৮ এই বহুল প্রচলিত শাগ্ব্বাকা এই স্ছলে ম্মরণযোগ্য ব্রক্ষযরপ শিবও -সাধকগণের প্রাত অনযগ্রহ প্রকাশ কারবার জন্য সাকার-রূপে প্রকাশিত হইয্লা দছিলেন। সাধারণতঃ শিব িফুর পূজাই সমাধক হইয়া থাকে €(নিত্যপজা )। উভয় ক্ষেত্রে শাদ্তপ্রোন্ত ধ্যানঅনুসারে বিফ বা শিবের বািভল্ন আকার €(পুরুষাকার ) বার্ণত হইলেও আঁধকাংশ ক্ষেত্রে ষে প্রতাঁক অবলম্বন কাঁরয়া পূজা উপাসনা প্রচলিত আছে তাহা 'বিফুর ক্ষেত্রে শালগ্রাম শিলা এবং শিবের ক্ষেত্রে শিষালঙ্গ শালগ্রাম শিলারুপী বিফু অথবা লিঙ্গরূপী মহেম্বরের আরাধনায় অভাষ্ট প্রাপ্তি ঘটয়া থাকে ইহা শাস্রে 'সবন্ধ পার্ট হয়। ভগবান বিফ বা ভগবান শিবের শিলারপ পরিণামের পৌরাণিক আখ্যান রাহয়াছে। মহেম্বর শিবের শ্তম্ভাকৃতি রূপধারণ দশকে

ঘ্‌

শিবপুরাণের বিদ্ন্বর সংহিতায় ষষ্ঠ, সপ্তম? অনত্টম, নবম অধ্যায়ের মধ্যে যে আথান রাহয়াছে তদনুসারে বু 'বারাণর গবরোধ নিবারণের জন্য জ্যোতিময় স্তশ্ভরুপে মহেশ্বরের আবভণষের কথা ধাঁণত হইয়াছে যেহেতু মহে*বর স্তদ্ভরূপে আবিভূত হইয়াছিলেন এবং তংকতক এই প্রাতিকৃতি শিবস্বরূপ বলিয়া আখ্যাত হইয়াছিল এবং শ্তম্ভাকতি বা 'লঙ্গাকীতি শিবের পৃজাতে শিব সম্ভুষ্ট হইয়া অভশন্ট প্রদান কারবেন এমত-ও নিণ'় করা হইয়াছে, অতএব শিধালঙ্গের সশংজার প্রবত'ন তদযাঁধ হইয়া আসিতেছে অবশ্যই পুরাণাস্তরে শিবাঁলঙ্গ পুজার প্রবর্তন সম্পরকে কিছ ভিম্ব ভি আখ্যান রাঁহয়াছে। তত তং আখ্যানসমূহে কিছুটা যোবধ্য বৌঁচন্র্য পারলাক্ষিত হইলেও ফলগত এঁক্য রহিয়াছে অথথাং শিবালঙ্গের পূজার ছারা অভান্ট প্রাপ্তি রূপ ফল 'বাভন্ন পুরাণে এক কোন কোন ব্যান্ত ইহার, মধ্যে কিছু অশ্লীলতার গম্ধ পাইয়া নাঁসকা কুণুন কাঁরয়া থাকেন তাঁহাদের নিকট নিবেদন তাঁহারা নিজের দৃষ্টিকে স্যচ্ছ করুন তাহালেই বুঝিতে পারবেন তাঁহাদের কাঁজগত কোন অশ্লীলতা সব আখ্যানের মধ্যে নাই। কোন কোন সম্প্রদায় 'বশেষের ব্যান্তগণ আপন নিষ্ঠার পরাকাচ্ঠা প্রদশ'ন কারবার জন্য 'শবাঁলঙ্গ সম্পকে কিছু কিছ? অবাচ্য বাক্যও প্রকাশ করিয়া থাকেন, তাঁহাদের সম্প্রদায়ের শিবমন্দির অথবা শিবালঙ্গ দশনও ইন্ট-নিষ্ঠায়, বাধা উপাচ্ছিত করে। তাঁহাদের প্রাত শ্লীভগরবান কৃপা করুন ইহাই বালিতে পার, কারণ কোন আরাধ্য ব্যন্তকে কেহ ঘি প্রণাম করে তাঁহার প্রতিটি অঙ্গই তাঁহার কট শুদ্ধ আরাধ্য সম্মাননীয় কেহ যাঁদ বলেন কোন পজনশয় ব্যান্তর [বশেষ অঙ্গাট পূজা অপর কোন অঙ্গ পঞ্ঞা নহে তাহাতে যেমন, বাতুলতাই প্রকাশিত হইয়া থাকে, তদ্রুপ শিবালঙ্গ প্রণম্য নহে ইহা বাতুলতার নামান্তর আপন ইস্ট যাঁদ বিশ্বে পরিব্যাপ্ত হন তান কি শিব হইতে 'ভিন্ব থাকেন ? যাঁদ কেহ তাঁহার ইন্ট-কে আপন অঞ্চলে বশধিয়া রাখিতে চাহেন ; তান তাহা রাখতে পারেন ; আমাদের বাঁলবার কিছু নাই,1কল্তু তাঁহার ইস্ট সাধাচ্ছন্ পদার্থে পারণত হইবেন ; এই বিষয়ে আঁধক লেখা বাহূল্য | মূলতঃ শিবাঁলঙ্গের বাভন্ন ঠবভাগ করা হইয়াছে-_-ইহা পাঁথব হইতে পারে, শিলাময় হইতে পারে, ধাতুময় হইতে পারে, অথবা বি'ভন্ন দ্রব্যের ছারা ইহা 'ন্দ্মাণ করা যাইতে পারে' যাহা মুল গ্রদ্হে দুষ্টবা। বস্তুত কাম অকীত্রম রূপে শিষ'লঙ্গ দুই প্রকারের স্বয়দ্ড্‌ অনাদালঙ্গ বাণলিঙ্গ অকুত্িমৎ তদ- ভিন্ন ম:প্িকাচ,

শিলা, বা ধাতু বা অন্য রতাদি পদার্থে নিম'ত লিঙ্গ কৃতিম। অকৃত্রিম লিঙ্গে অর্থাৎ স্বয়ম্ভ্‌ 'লঙ্গে বাণাঁলঙ্গে সববণের পুজার আঁধকার থাকে, অবশ্যই তাহা শাস্ত্র নিদ্দেশ অনুসারে

' আলোচা গ্রন্হে অবিশনন্ত ক্ষেত্র কাশখপুরণীর পৃণ্যবৈভব বাঁণত হইয়াছে যাহা শ্রচ্ধাল্‌ সঙ্জনবন্দ অধ্যয়ন করিয়া ধন্য হইবেন প্রেরণা পাইবেন বালয়া আশা করিতে পারি। বর্তমান সময়ে শাস্তীয় তথ্য প্রকাশ প্রসারের প্রয়াস ক্রমশঃ সংকুচিত হইতেছে কারণ পূরাণাঁদির প্রাচীন আখ্যানসমূহ কজ্পনামান্ত বালয়াই কিছ কিছ: ব্যন্তি নির্ণয় কাঁরয়া থাকেন। সুতরাং তাঁহাদের নিকট পৌরাণিক আখ্যান অধ্যয়ন সময়ের অপচয় বলিয়াই পাঁরগাঁণত হইয়া থাকে। তাঁহারা আধানক জ্ঞানের প্রধণান্তীবদ্যা বৈভবের ঘন-ঘটায় আকৃষ্ট হইয়া পুরাণকে পুরাতন দ্রবা রাখবার স্থানেই নিক্ষেপ কারতে পারলে সম্ভবতঃ স্বান্ত অনুভব করিবেন এইরূপ ব্যক্তিগণের জন্য নিশ্চয় এই আলোচ্য গ্রশ্ছটি প্রকাশ করা হইতেছে না। বস্তুত যাহারা এখনও প্রাচীন পরদ্পরার প্রাত মান্যতা প্রদান করিতে চাহেন, পৌরাণিক আখ্যানসমূহ হইতে শিক্ষার, আদর্শের অনুকরণ করিতে চাহেন এবং সেই অনুকরণ আপন অনুগামশদের মধ্যে অনুসরণ করিবার প্রবণতা সুযৃণ্টি করতে চাহেন তাঁহারা নিশ্চয় এই গ্রম্হ প্রকাশকে স্বাগত জ্ঞাপন কারবেন। এই সধাক্ষপ্ত মুখবন্ধ মূলতঃ সংস্কৃত শ্লোক পারহার কারয়াই লিখিত হইয়াছে, কারণ মূল গ্রচ্ছটি কেবল অনবাদ- মূলক অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষায় অনভিজ্ঞ ব্যন্তগণের বোধ মৌকযেণর জন্যই ইহা প্রকাশ হইতেছে। সুতরাং সেই সব পাঠক-গণের পঠন-স্পহাকে পাঁড়াগ্স্ত না করিতেই মূল শাস্মধাকাসমূহ ইহাতে সীম্নবন্ট হয় নাই। এই নিবন্ধের আরচ্ে প্রসিষ্ধ শিবভান্ত পরায়ণ ধাঁষ উপমনহ্য রচিত শ্লোক 'দয়াই আরম্ভ করা হইয়াছিল ; সুতরাং পাঁরশেষে ধাঁষ উপমনযযর ভন্তপ্লুত কণ্ঠে উচ্চারিত ডান্তর উদ্ধূতি কারিতোছ--

শরণং তরুণেন্ব্‌ শেখর, শরণং মে গিরিরাজ কনাকা। শরণং পুনরেব তাবৃভো শরণং নানাযঘগোমিদৈবতম:

তারকেম্বর মঠ দণ্ডিদ্রাঘি হৃমীকে শাশ্রন্ব

ভুমিকা

ভারতীয় মণীষা যখনই শাশ্বত সত্যের সম্ধান পেয়েছে এবং তাকে গ্রম্থে বিধৃত করে রাখার চেষ্টা করেছে, তখনই তাকে চ্বজপশান্ত মানুষের প্রষত্বের ফলশ্রীত বলে স্বীকার না করে বিশ্বের প:ঞীভূত প্রজ্ঞার বাগ্ময় প্রকাশ বলে বণনা করেছে। বেদব্যাস হচ্ছেন এই প্রজ্ঞারই বাহ্য প্রাতরূুপ। তাই একাদকে তাঁকে মহাভারত রচনা করতে হয়েছে, 'াভন্ন দেবতার শ্রেন্ঠত্ব- প্রাতষ্ঠাপক পুরাণ 'লিপবদ্ধ করতে হয়েছে, আবার পুরাণের শ্রেণীবিভাগ করে উপপুরাণের সংল্টিতে আত্মানয়োগ করতে হয়েছে এক কথায় ইতিহাস- পঃরাণাভ্যাং বেদাথমৃপবৃংহয়েং-এই অনুশাসন অবলম্বন করে বোঁদক সতোর বস্তুত 'ববরণ দেধার জন্য যত উদ্যম এবং যত সষ্ট তার তিন- চতুর্থাংশই বেদব্যাসের, খাঁন হচ্ছেন ভারতবর্ষের সামাগ্রক বৈদগ্ধ্য এবং পুঞ্জীভূত প্রজ্ঞার মানাঁধক রূপ বেদব্যাসের সব স:ষ্টিতেই নোৌতিক, সামাজিক আধ্যাত্মক মূল্যবোধ সগোৌরবে বিরাজিত বলে সর্বসাধারণের মধ্যে এর প্রচার প্রসার যত হয়ঃ ততই সমাজের জাতির মঙ্গল, একথা নিঃসন্দেহে বলা চলে।

রামায়ণ মহাভারতের বাংলাভাষায় অনেক অনুবাদ হলেও বেদব্যাসের কাশীখণ্ডের মূলানুগ তথ্যানভ'র বঙ্গানুবাদ এখনও প্রকাশিত হয় নি। বাংলা অন্বাদ সা'হত্যের এই দুর্বল িকাটকে সবল করার জন্য শ্রীচিত্তরঞ্জন ঘোষাল তাঁর কাশী খণ্ডের বঙ্গানুবাদ নয়ে সা'হত্য ক্ষেত্রে আবিভূত হয়েছেন সংস্কৃত ভাষা সাঁহতো গভীর প্রবেশ, বাংলা ভাষায় 'বস্ময়কর আঁধকার, কাঁহনী উপস্থাপনের সরস ভঙ্গি, পুরাণ ইতিহাস বর্ণিত কথা-উপকথার সাহত ব্যাপক পারচাত, এ-সবের সমন্বয় শ্রীঘোষালের সাষ্টধমর্ঁ মনকে সমদ্ধ করেছে; সঙ্গে সঙ্গে তাঁর অনুবাদও হয়ে উঠেছে উৎকর্ধবান। ম.লসাহত্য সৃষ্টির চেয়ে অনুবাদ সাহিত্য সংষ্টির কর্ম দুরূহ কারণ মংলসাহিত্যে কাবপ্রাতিভার গ্যচ্ছদ্দীবহারের অবকাশ আছে অনুবাদসা।হত্যে মূলের গণ্ডীর মধ্যেই সৃগ্টিকে সীমাবধ্ধ রাখতে হয় বলে অনুবাদকের অবকাশ নেই। যে অনুবাদক মলের কাব্যোৎকর্ষ অক্ষর রাখতে পারেন? তিনি সার্থক শ্্ন্টা সফল শিজ্পী। শ্রীচত্বরঞ্জন ঘোষাল দিক 'দিয়ে বাংলা সাহিত্যে সার্থক সঘ্ট উপহার গদতে পেরেছেন নিঃসন্দেহে বলা চলে। তাঁর অনুবাদ রাজশেখরের রামায়ণ মহাভারতের সারানুবাদের কথাই স্মরণ কারয়ে দেয়। আম শ্রীঘোষালের অন:বাদ-সঘ্টকে বাংলা লাহত্যের প্রাঙ্গনে সানন্দে বরণ কাঁর।

লমান জল স্কুপ্রাপাপ্রযান

উপাচার্য, রবীন্দ্র ভারতা বিদ্বাবদ্যালয়ঃ কাঁলকাতা প্রান্তুন উপাচার্ধ বধধমান বিশ্ববিদ্যালয়, বধমান

প্রাসজিকী

পরমাদ্রভাজন শ্রীচত্রঞ্জন ঘোষাল মহৃর্ষ শ্রীকৃষছৈপায়ন বেদধ্যাস কর্তৃক বরাচত সাবখ্যাত কাশীখণ্ডম্এর সরল, সহজ, সুমধুর অনুবাদ করে সকলেরই বিশেষ কৃতজ্ঞতাভাজন হয়েছেন, নিঃসন্দেহ

কাশীখগ্ডম ভাবার মাধুষেঠ ভাবের সৌন্দর্যে, আঙ্গকের এম্বর্ষে ভারতীয় সাহত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীভূত স্থান আধকার করে আছে আদ্যন্তকাল। অতি মনোরম আখ্যায়কার মাধ্যমে উচ্চতম, নিগুতম গভীরতম আধ্যাত্মিক তত্বাবলীর এই অনুপম অপরূপ বিশ্লেষণ সত্যই অতীব [বিয়কর। সেজন্য ভারতীয় শা*বত সভ্যতা সংস্কীতির মূল উৎস সাম্য-এক্য-প্রীতি- মৈতরী-সেবা-ত্যাগের মূর্ত প্রতীকরূপে এই চিত্তাকর্ষক গ্রম্থটি সর্বজনপজ্জ পারপূর্ণভাবে |

শ্রদ্ধেয় গ্রন্হকার মহাশয়ের বাংলা অনবাদও যে সকলের নিকট সমাদৃত হবে, তা ?নঃসন্দেহ তাঁর ভাষা সর্বজনবোধ্য এবং সর্বমনতৃপ্তিদায়ক তাঁকে আমাদের সকলের আভনদ্দন জানাচ্ছি

প্রাচাবাণী ডস্টুর রমা চৌপুরী

৩, ফেডারেশন স্ট্র'ট ক।লকাতা-৭০০০০৯

বিষয় সূচী

মঙ্গলাচরণ কাশীবন্দনা ১; দেবার্ধ নারদের 'বদ্ধ্য দশনে আগমন ১% [বম্ধ্যের অর্থ দান এবং ধরাধর রূপে আত্মশ্লাঘা প্রকাশ ২; নারদ কর্তৃক সুমেরুর শ্রেষ্ঠত্ব কথন বিদ্ধ্যের মনে বৈরীভাবোদয় এবং গ্রমন-পথ অবরোধ ৪; গাঁতিরুদ্ধ তপনের তাপে বিপর্যস্ত পীথবী এবং দেবগণের ব্রঙ্াশরণ ৫; ্র্দার উপদেশ প্রদান ৭; বারাণসীতে দেবগণের অগন্তা-সমীপে আগমন ৮; দেবগুরু বৃহস্পাত কর্তৃক পাতব্রতের ব্যাখ্যা, অগন্ত্য-পত্রী লোপামদদ্রার প্রশংসা মনোবাঞ্থা প্রকাশ ১১; দেবগণের মনোবাঞ্ছাপুরণে আক্ষেপ- সহকারে অগন্ত্ের কাশী ত্যাগ বিম্ধ্য সমীপে আগমন ১৫; অগন্ত্যকে [বন্ধের নতাঁশরে প্রণাম এবং দক্ষিণাপথ থেকে প্রত্যাগমন পর্যন্ত বিষ্ধ্যকে নতঁশিরে থাকার নিদেশ ১৬ ; গমনপথের অবরোধমনীস্ত, অগস্ত্যের দাক্ষণা-পথে গমন, মহালক্ষমীর দশন বন্দনা শেষে তাঁর নিদে'শে কাশশ-বিয়োগ-জানত ব্যথা নিরসনে স্কম্দদেষের উদ্দেশ্যে গমন ১৯; পাঁথমধ্যে অগন্ত্য কতৃকি পূণাক্ষেত্র শ্রীশেল দন এবং প্রশান্ত-কথন ২০; লোপামুদ্রার কৌতুহল নিরসনে তীর্থর প্রকারভেদ বর্ণন কাশীর শ্রেষ্ঠত্ব কথন এবং এই প্রসঙ্গে শিবশর্মা উপাখ্যানের অবতারণা ২১।

সংসারী পণ্ডিত শিবশমণর সংসার ত্যাগ পূন্যার্থে তীথ্প্রদ সাতটি পুরীর উদ্দেশ্যে তীথ-যান্া ২৪; অযোধ্যা, প্রয়াগ, বারাণস, উজ্জীয়নী, কান্তনগরণ, হ্বারাবতী ভ্রমণ-শেষে মায়াপুরীতে আগমন এবং জবরাবকারে প্রাণ” ত্যাগ ২৭ 7 'িষুগণদ্বয় সুশগল এবং পৃণ্যশীলের সাহচর্ষে দিব্য বিমানে শিব- শমণার বৈকুণ্ঠ যাত্রা ২৭ ; বৈকুণ্ঠগামী রথে শিবশযণার পিশাচলোক, গৃহ্যক- লোক, গম্ধব্লোক, বিদ্যাধরলোক আঁত্রমণ গণথর-কতৃকি প্রাতাঁট লোকের পরিচয় প্রদান ২৮; শিবশমণর যমলোকে আগমন, যমরাজ কর্তৃকি সম্ভাষণ, গণহয়-কতক যমপুরের ধমরাজের অধিকার বর্ণন ২৯; শিবশর্মার অপ্সরা- লোক আঁতিক্রমণ এবং পাঁরাচাত লাভ, সূযলোকে আগমন? গণদ্য়-কতৃকি সূয'দেবের মহাত্ম্য গায়ন্রপর উৎকষতা কথন ৩১ শিবশমণার অমরাধতা দর্শন এবং ইন্দ্রের পাঁরাচাত লাভ ৩৩; আঁগ্রদেবের পুরী অচি্মতঈতে শিবশমণর আগমন এবং এই লোকের পাঁরাচাত লাভ ৩৪; আগগ্রদেবের উৎপাত্ব-রহস্ প্রসঙ্গে গণছ্য় কর্তৃক শিবভন্ত বিশ্বানর স্হ-্ধার্মনী শ7চম্মতীর আভিলাষ, পন্রার্থে ?িণ্বানরের কাশশতে বারেদ্বর লঙ্গেয় অচনা শেষে পুন্রলাভ বর্ণন ৩৪; বুপ্ধা কর্তৃক নবজাতকের গৃহপতি' নামকরণ”

নারদ কর্তক নবজাতকের সূলক্ষণ বণনা, কাশশতে গৃহপতির সৃকঠোর লঙ্গার্চনায় তুষ্ঠ মহাদেব কর্তক গৃহপাঁতকে অংগ্পলোক প্রদানের পুরাকাহনী গণছ্বয় কর্তৃক িবশমণা-সমীপে বর্ণন ৬৬ $ নৈষ্ধাত'লোক বর্ণনা প্রসঙ্গে শবরাধিপ 'পঙ্গাক্ষের কাহনী কথন ৪০; বরুণ লোকাধপতর প্রসঙ্গে কদমপূত্র শুচদ্মানের কাহনপ কথন ৪২; গম্ধবতী-পুরী প্রসঙ্গে কশাপ-তনয় পূতাত্বার সাধন কথন ৪৪; কুবেরের উৎপত্তি গুসঙ্গে যজ্ছদত-পতর গুণনাধর কাঁলত্গাঁধপাত দম-র কাহনী দীপদানের মাহাজ্ম বর্ণন, কুবেরের [শব-সখাত্ব প্রাপ্তি এবং একচক্ষু হওয়ার রহস্য কথন ৪৫ 2 গণদ্বয় কতৃক শিবশমণ-সমশপে ঈশানপুরী প্রসঙ্গে একাদশ রুদ্রের আধপত্য ঈশানেম্যরের মাহাত্ম্য কথন ৫১ ; চন্দ্রলোক বর্ণন, চন্দ্রের জন্মরহস্য, কাশঈধামে চন্দ্রের তপস্যা এবং লোকাধিপত্য লাভ ৫২ ; নক্ষত্রলোক বর্ণনা প্রসঙ্গে বারাণসীতে দক্ষের ষাট কন্যার পাঁতিকামনায় তপস্যা, নক্ষত্র নামরহস্য, শিব-বরে চন্দ্রকে পাতরূপে লাভ এবং নক্ষত্রলোক প্রাপ্ত কথন &৪ ; বুধের জন্মপ্রসঙ্গে চন্দ্র" কতৃকি দেবগুরু-পত্বী তারার অবৈধ গভ“সণ্থার, বুদ্র-সহ চন্দ্রের যুদ্ধ, বারাণসীতে বুধের তপস্যা এবং বুধলোক প্রাপ্ত কথন ৫৫; গণছ্য্ন কর্তৃক শুক্রলোক বর্ণন, অন্ধকাসুরের মত সৈন্যদের ভার্গবের মৃতসঞ্জীবনী দ্বারা জীবনদান, নন্দী কর্তৃক ভার্গব অপহরণ মহাদেষের জঠরে অবস্থান, শিক্ক' নামের রহস্য, তপস্যায় শুক্ললোক প্রাপ্তি কথন ৫৭; মঙ্গললোক বণনি, 'মহশসূত' এঅঙ্গারক' নাম-রহস্য কথন ৬০ 3 বৃহস্পাঁত লোক বর্ণনা প্রসঙ্গে বারাশসণতে আঙ্গরসের তপস্যা? বৃহস্পাঁত নাম-রহস্য দেবগুরদ পদে আঁধাণ্ঠিত হয়ে লোকাধিপত্য কথন ৬১ ; শিবশম সমীপে গণহুয়ের শানলোক বর্ণন, শাঁনির জন্মরহস্য কথন, ধারাণসীতে শাঁনর তপস্যা গ্রহাঁধিপত্য লাভ ৬২; সপ্তা লোক বণনা প্রসঙ্গে সপ্ত ধাষ খাঁষপত্াী। বারাণসশতে 'লঙ্গ স্থাপন তপস্যায় লোকপ্রাপ্তি কথন ৬৫ ; ধ্ুধলোক বর্ণনা প্রসঙ্গে উত্তানপাদ-তনয়ের সংসারা- [ভমান, প্রাসাদ হতে নিক্মণ, সপ্তাষর উপদেশে বিষুর ধ্যান, ইন্দ্রের ভীতি [বদসণ্থার, দেখগণের শক্শরণ, বিষুর বরদান এবং তাঁরই পরামর্শে বারাণসীীতে আগমন, লিঙ্গ চ্ছাপন, তপমসায় লোকাধিপত্য লাভ কথন ৬৬; মহ-জন- তপলোক বন, শিবশমণার সত্যলোকে আগমন; রক্ষার সাক্ষাৎ এবং 1বশ্বেবর [লঙ্গের মাহাত্মা, ইলাধতবষ', জদ্বৃদ্বীপ, বর্ণন তীর্থখনধ্যে প্রয়াগ অপেক্ষা কাশণর শ্রেষ্ঠত্ব ৭২; ভুলেণক হতে লোক-লোকান্তর শেষে শিবলোকের দূরত্ব কথন

হা

৭৪ ; গ্রণদ্বয় কর্তৃক বিষু ব্রহ্ধা-সহ শিবের শ্রেন্ঠত্ব জ্বাপন ৭৫ ; গণছ্থয়-কর্তৃক মুন্তাথথী শিবশমণর সংশয় নিরসন প্রসঙ্গে বন্ধকাল রাজার্‌পে শিবশর্মার পুনজর্শন, রাজ্য-বৈরাগ্যঃ কাশনপ্রাপ্তি, মহাকাল স্মরণ? 'লঙ্গস্থাপন অর্চনায় মোক্ষলাভের বিষয় কথন ৭৬।

লোপামযদ্রামহ অগস্ত্যের শ্রীপব্ত প্রদাক্ষণ শেষে সকন্দকানন দর্শন, ষড়াননের স্তব এবং কাশীক্ষেন্তর সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা ৭৮ $ মহাদেব-কর্তক পার্ধতী- সমীপে গীত এবং মাতকোড়াসীন যড়ানন কর্তক শ্রুত আ?স্ত্য সমীপে কাশশ- 1বষয়ক স্মাতচারণ ৭৯ পণ্ক্লে!শী কাশীর মাহাত্ম্য কথন, ৮০ ; মিকার্ণকার মাহাত্মা প্রসঙ্গে মহাদেব করৃতক অছ্াতের সাষ্ট, অচ্াতের তপস্যা এবং কাশন' নামোৎপাত্ত কথন ৮০ + কাশনর “বারাণস+* প্রভৃতি নামকরণ প্রসঙ্গে কালষুগ- তীরথথমোক্ষদা গঙ্গার মাহাত্ম্য কথন ৮৩ : গঙ্গায় আঁচ্ছদান প্রসঙ্গে পাপাচারী ব্রাহ্মণ বাহীকের কাহিনী ৮৫; গঙ্গাস্তোন্র পাঠমাহাত্ময, মণিকার্ণকার উৎকষ'তা কথন ৮৭ ; সুরক্ষিত কাশী-প্রবেশ 'িখ্বেবরের অনুমাতি-সাপেক্ষ প্রসঙ্গে বাণক ধনঞ্জয়ের কাঁহনী বর্ণন ৮৭ £ কাশীীর “রুদ্রাবাস” “মহাম্মশান” নামরহস্য ৮৮; অব্যয় তত্ব-বষয়ে ব্দ্ধার মোহ* ক্রতুর সঙ্গে ?ববাদ, কালভৈরবের উৎপাত্ত এবং বর্ষার পঞ্চম মুড উৎপাটন ৮৯ বক্গাহত্যা পাপে কপালহস্তে কপদ+র 'ভ্রিলোক-ভ্রমণ, বিষ্ণুর আ।ত িবফ্ুকে বরদান, কাশন প্রবেশ, ভৈরবের কপালমনুন্ত এবং কপালমোচন তাঁথে'র উদ্ভব মাহাত্ম্য ৯১।

হাঁরকেশ প্রসঙ্গঃ বক্ষ রত্ভদ্রের যোগবলে তনুত্যাঃ পত্বী কনক কুণ্ডলা-সহ রত্রভদ্রপত্তর পুণভিদ্রের-পুভ্রাথ্থে কাশীগমন £ শিব বরে হন্সিকেশ- নামে পুত্র লাভ ৯৩7 হারকেশের শবঘনস্কতায় পূণভদ্রের কোধ, হরিকেশের বারাণসপী গমন এবং তপ্‌প্যা ৯৪; পাবতীর অনুরোধে মহাদেব-কর্তৃক হরিকেশকে কাশীীপুরধীর দণ্ডপানত্ব দান ৯৫; জ্ঞানবাপীর উৎপাত্ত মাহাত্য কখন ৯৬; জ্ঞানবাপী প্রসঙ্গে বিদ্যাধরকতৃকি হারস্বামী-কন্যা সশীলার অপহরণ, রাক্ষন বদহয*মালশ-কর্তৃক বদ্যাধর-নিধন এবং বিরহকাতরা সুশীলার প্রাণত্যাগ ; কণণউ-প্রদেশে মল্যকেতু কলাবতী নামে 'বিদ্যাধর .সুশীলার পুনজন্ম, িবাহ, কল্লাবতী-কর্তক বারাণসীর চিন্রপট দর্শন এবং প্‌বদ্মৃতির উদ্ভবঃ কাশীতে আগ্রমন, তপস্যা বরলাভ ৯৭।

কাশী প্রাপ্তর সহায়ক স্দাচার-প্রসঙ্গে যম-নিয়মন্প্রাণায়াম-গায়নী। যজ্ঞ, ঝণ-পারশোধ প্রভৃতি কথন ১০০ ; স্বন্দ্র-কর্তক অগন্ত্যকে মহাযোগ, মহাদান,

মহতী তপস্যা বিষয় কথন ১০৩।

অনাবান্টর কারণে স:ম্টলোপ আশঙ্কায় ব্ক্ষা-কতকি রাজীর্য িপহঞ্জয়কে পৃথিবীনাথ হওয়ার অনুরোধ এবং শত-সাপেক্ষে রিপজয়ের সম্মতি ত্রদ্ধা" কর্তৃক 'িরপহঞয়ের দিবোদাস নামকরণ ১০৪; অলক্ষিতে কাশীতে আবমকেশ্বর - লিঙ্গ স্থাপন করে পাব্তী-সহ বিশ্েন্বরের মন্দরে গমন ১০৫ ; অবিমুস্তক্ষেন্র আবিমুক্তে'বর 'লিঙ্গপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে ষড়ানন-কর্তক অগন্তাকে যেদাবাহত ধর্মানুশীলন উপদেশ দান, বড়ঙ্গ যোগের ফলশ্রাত কথন এবং বারাণসীর শ্রেন্ঠত্ব প্রতিপাদন ১০৬ ; দেষেশের প্রস্থানে দেবগণের কাশীত্যাগ, দিবোদাসের ধমণনহ্ঠ রাজ্যশাসন ১১১; কাশী-বরহাতুর দেবেশের কাশীপ্রাপ্তির উদ্দেশ্যে দেবতাদের সঙ্গে দেবগুরুর মন্ব্রণা এষং দেবরাজের আদেশে আগ্রর কাশশতাগ, দিবোদাসের ক্ষোভ? চন্দ্র, সূর্ষ? বায়, বরুূণকে বতাড়ন। দিবোদাসের সর্বমুখীতা ১১২; পাবতাীঁসহ কাশশবিরহ-কাতর মহাদেব কর্তৃক যোগিনখ- গণের আহ্বান এবং 'দিবোদাসের ছিদ্রান্বেষণের জন্য আদেশ দান ১১৪। উৎসূক অগন্ত্যকে ষড়ানন-কতৃকি চৌষাঁট ষোগিনীর নাম কথন ১১৬ যোঁগিনগর। প্রতাবত্ত না হওয়ায় ?ধম্বেবর কতক সূষকে আবাহন কাশ প্রেরণ, বিফল মনোরথ সযেরিও কাশীতে অবস্থান এবং লোলাক নামে বারাণসীতে অবস্থান ১১৭

কাশণর ক্ষেত্র-রক্ষক দ্বা্শ আঁদত্য প্রসঙ্গে লোলাকের পর উত্তরাকে'র উদ্ভব, প্রয়ত্রত শমুভব্রতার আববাহিতা কন্যার ব্রক্ষচ্য) উত্তরাক সূ"সাম্বকটে তপস্যা, বরদাতা 'বিশ্বেশ্বরকে সঙ্গী ছাগসতার পশুযোনিত্ব ম্যান্তর অনুরোধ, পরাহতৈষণায় বিমগ্ধা পারতি-কর্তক কন্যাকে স্বীয় সখ'ত্ব দান ১১৮; সাম্বাদত্যের কাহনী--নারদের প্ররোচনায় কৃষ্-কর্তৃক পত্র সাম্ঘকে আভশাপ, কাশী গমন, তপস্যা, রোগ-আরোগ্য এবং সাম্বাদিত্য-রূপে কাশীতে অবস্থান ১২০; দ্রৌপদাদত্য প্রসঙ্গ পাশ্ডুর পণ্চপত্র-রপে মহাদেবের অবতরণ, পাতি- [বচ্ছেদ-কাতরা সতারও দ্রঃপদ-ষজ্ঞকুণ্ড হতে সমহদ্ভূতা, পণ-পাণ্ডবের পত্বশত্ব লাভ, বারাণসশীতে দ্রোপদীর তপস্যা, ছ্ৌপদী-আরাধিত আদিত্য-কর্তৃক দ্রৌপদীকে অক্ষয় স্ছালী দান ১১২ ; পণ্চনদতশর্থে সহম্রমাল কর্তৃক লিঙ্গ এবং মঙ্গলগোরা, প্রতিষ্ঠা, তপস্যা, এবং ময়ুখাঁদিত্য নামে ক্ষেব্র-রক্ষকত্ধ লাভ ১২২ % খখোলকাদিত্য প্রসঙ্গে বিনতা কদ্রুর উপাখ্যান, আদিত্যের খখোজ্ক' নামকরণ রহস্য, কদ্রুর আদেশে নাগগণের উচ্গৈঃশ্রবাকে কৃফবর্ণ-করণ, বিনতার

দাপীত্ব, িনতার মুন্তর শতণপালনে গরংড়ের অমত-আহরণে গমন, দেবতাদের সঙ্গে যুদ্ধ গরুরকতৃকি বিষুকে বরপ্রদানঃ বিনতার দাসীত্ব-মোচন, মহাদেব- কতৃকি গরুড়কে ধিনতাদত্য তথা থখখোজ্কাদত্য নামে ক্ষেন্তর রক্ষার্থে স্থাপন ১২৩; গররুড় জননী 'বিনতার দাসীত্ব গ্রহণের রহস্য স্কন্দদেব-কর্তৃক অগন্ত্যকে কথন ১২৭ ; অরুণাদত্য, বদ্ধাঁদত্য, কেশবাদিত্, বিমলাদিত্য, গঙ্গাদিত্য যমাদিত্যের আবিভণব মাহাত্ময কথন ১২৯।

মহাদেবের নিদেশে ব্র্থর কাশী আগমন, দিবোদাসের ছি্রান্বেষণে ব্যর্থ ক্ষার রাজধ্য-সমীপে অন্বমেধ যজ্ঞ করার আঁভলাষ জ্ঞাপন, দিযোদাসের মাহাধ্ায দশাম্বমেধের উৎপাত্ত রহস্য ১৩১; শম্ভুকর্ণ? শহাকাল,ঃ ঘণ্টাকর্ণ প্রত গণদের মহাদেব-কর্তক কাশীতে প্রেরণ গণকতৃকি লিঙ্গ-স্থাপন কাশীতে অবস্থান ১৩৪; কপদীশ 'লিঙ্গ-মাহাত্ প্রসঙ্গে পুরাণ-মীন বাজ্মীক? [পশাচযোনিপ্রাপ্ত ব্রা্ষণ এবং বিমলোদক কু'্ড পিশাচ-মোচন তথ কথা ধর্ণন ১৩৭ £ মহাদেব-কর্তক পত্র গণেশকে আহবান কাশী-প্রেরণ ১৩৯; গণক-ছদ্নবেশে গণেশের কাশী প্রবেশ স্বগ্রশববরণ কাশঈীবাসীর মনে ভ্রাস- নণ্চার, উ্ছগ্র দিবোদাসের গণেশ-শরণ শ.ভ হীর্গত শ্রবণ ১৪০ ; গণনায়ক (বন।য়ক কি নামে কাশীক্ষেত্র রক্ষ। করছেন তার পারচয় জ্ঞাপন ১৪৩; গণেশের প্রত্যাগমনে বিলম্ষ দশনে 'বিরহাতুর মহাদেবের কাশীতে বিষুকে প্রেরণ ১৪৫ ; লক্ষী গরুড়সহ বকর কাশ আগমন, পাদোদক তীরথেনদ্ভব, আদিকেশবের মত প্রাতষ্ঠা অচ্চনা ১৪৩; অল্পাংশে বিষুর সৌগত পুণ্/কৰতি' লক্ষমীর পাঁরব্রাজকা, গরুড়ের 'বনয়কীর্তি ছদ্মবেশ গ্রহণ, বেদ-বরোধী ধম প্রচার, অজ্তঃপুরচারণীলহ পুর্রধানীদের উন্দাগ্“্গানীতার কাঁহনী কথন ১৪৬ ; (দবোদাস-সমীপে বির বরাহ্মণ-বেশে আগমন এবং রাজ্য-বরন্ত দিবোদাসকে উপদেশ প্রদান ১৪৯ 7 দিবোদাস-এর -রাজকাধ ত্যাগ, দিবোদাসেশ্বর লিঙ্গ প্রতিষ্ঠা এবং মোক্ষলাভ কথন ১৫০; মন্দর পর্বত থেকে মহাদেবের দেবগণ-সহ [বিশ্বক্মণ-কৃত কাশীতে প্রবেশ, গণেশ-স্তুঁতি এবং বদ্বকর্মীকৃত নবানাম্ত প্রানদে আগমন উদ্যোগ ১৫১ )

পণ্চনদতীর্থে কেখবের অবস্থান, পণ্চনদতাথ" প্রসঙ্গে ধাষ বেদাশরা অগ্নরা শুট, ধৃতপাপার জন্ম, সৎ পাঁত কামনায় কাশন গমন, তপস্যা চতুকাননের বরলাভ ১৫২; ধৃতগাপার গ্রাতি ধর্মের আগসন্তি, ধূতপ্পার প্রত্যাখ্যান এবং আভশাপে ধমেরি নদর্‌গ গ্রহণ ধমেরি অভিশাপে ধতপাপার

ন্দীরপ ধারণ, বেদশিরা কর্তৃক রহস্য কথন ১৫৪ ; মঙ্গলগোরীর অঙ্গোষ্ভত গকরণা-র উদ্ভব, পণ্চনদ্ তঁথের উৎপাত্ত কথন ১৫৫ ; 'ীবন্দুমাধবের আবিভণব প্রসতগ £ পণ্চনদ তাীর্থে মহাদেবের আগমন অপেক্ষায় অবস্থান কালে খাষি অগ্নাবন্দুর আগমন মাধব স্তুতি, আগ্রাবন্দুকে বর আত্মতত্ব জ্ঞান দান ১৫৬ ; আগ্রাবন্দুর অনুরোধে কাশীক্ষেত্রে মাধব কোন কোন নামে কোথায় কোথায় অবস্থান এবং চ্বীয় রুপভেদ বর্ণন ১৫৭ ; দেবেশের আগমন দশনে নারায়ণের মহাদেব সম্ভাষণ, কাপল তর্থের উদ্ভব মাহাত্য মহাদেব করঠৃকি কথন ১৬১; মহাদেবের খাঁষ জৈগীবব্য সমঈীপে গমন, যোগশাম্ম প্রদান এবং ফোগাচাধপদে বতীকরণ ১৬৩; দণ্ডখাত তঁর্ের উদ্ভব, তথথণন্তর থেকে ব্রুতাবলম্বী ব্রাঙ্মণদের সমাগম, প্রশান্ত এবং মহাদেবের ক্ষেত্র মাহাত্য কথন ১৬৪; [লন মাহাত্য প্রসঞ্গ £ জ্যেষ্ঠচ্হানে ঈশান ঈশানীর কন্দুক ক্রীড়া, কম্দ:কাঘাতে [বিদল-উৎপলের ধিনাশঃ কন্দকেম্বর লিঙ্গের উদ্ভব ১৬৬, ব্যাঘ্রেষর লিঙ্গ প্রসঙ্গে দেত্য দুল্দভ 'নিহ্নাদের কাহিনী ৯৬৭7 শৈলেশ্বর লিঙ্গ প্রসঙ্গে উমা" সংবাদে উতকণ্ঠিত 'গাঁররাজের রত্বসম্ভার সহ কাশঈতে আগমন, অলক্ষ্যে প্রত্যাগমন কাঁহনী বর্ণ নএবং শৈলেম্বর লিঙ্গ মাহাত্য কথন ১৬৮; রত্বেশ্বর .লঙ্গ প্রসঙ্গ $ উদ্ভব, সখাঁসহ গম্ধর্ব রাজকন্যা রত্বাবলীর 'লিঙ্গার্চনা, নাগরাজ রহ্‌ড়কে পতিত্বে লাভ কাহিনন বর্ণন ১৭২; মহাদেবের কীত্তবাস নাম রহসা কৃভিবাসেশ্বর লিঙ্গ, হংসতথেরি মাহাত্ কথন ১৭৯; কাশখতে মহাদেবের প্ুত্যাবর্ন সংবাদে ক্ষেত্রে আগত তীর্থ লিঙ্গাদ, গণাধপ-সহ গণনিচয়, চামুণ্ডা'দর আগমন এবং অবস্হানের বিবরণ নন্দী কত্ুৃকি শম্ভূকে প্রদান ১৬২ ; দেবীর গগন” নাম প্রসঙ্গে অগন্তা কতৃকি দানব দুগ্গের নিধন কাহিনী ব্ণন ১৯০; ক্ষেব্রুরক্ষার্থে অস্টভৈরব সহ বেতাল প্রসঙ্গ কথন ১৯৬ ; অনাদসিম্ধ মনুন্তিপ্রদ 'লঙ্গ প্রসঙ্গে ত্রদ্ধার তপস্যা প্রণযেন্ধর লিঙ্গের উদ্ভব, তারতীর্থ এবং তথ বিশেষে তারতীর্ের শ্রেন্তত্ব কথন ১৯৮ ; প্রণবেশ্বর লিঙ্গ মাহাত্ম্য প্রসঙ্গে গগমিযনির স্মৃতিচারণ, দমন-সহ কাশখতে আগমন এবং লিঙ্গে অন্তঙ্গণণ ২০১ ; বড়ানন কর্তৃক 'ন্রলোচন নাম মাহাস্থ্য প্রসঙ্গে কপোত-দম্পাত ক্ষেন্র কথা বণন ২০৬;

কেদারেন্বর লিঙ্গ মাহাত্ময, বাঁশষ্ঠের তপস্যা বরলাভ ২১১ ; গৌরাকুষ্ড মাহাত্ম্য বর্ণন পাশ্ববত+ লিঙ্গসমূহের পারচয় ২১৩; আনন্দকাননন্থ ধমেন্যর 'লিঙ্গ প্রসঙ্গে সূয্তনয় যমরাজের তপস্যা, শুক-শাবকগণের ম্যান্ত ২১৪;

মনোরথ তৃতীয়া বলত মাহাত্য কথন ২১৬ ; ধর্মতাথ" প্রসঙ্গে দেবরাজ ইন্দ্রের বক্ষহত্যাজনিত পাপমোচন রাজা দু্দমের শ্রেয়োলাভ কাহনী বর্ণন ২১৭ ; বীরেশ্ধর লিঙ্গাব্ভাব মাহাত্ম্য প্রসঙ্গে বৈষ্ণবপ্রধান রাজা আঅমল্লাজতের চম্পকাধতী নগরী গমন, মলগ্গাম্ধনীকে নারদের পরামর্শে কথ্কালকেতু-মন্ত করে বিবাহ, মলয়গম্ধনশর পুন্রার্থে অভীম্ট-ততীয়া-্ত্রত উদযাপন পূত্রলাভ, মন্ত্রীদের পরামর্শে পূত্রত্যাগ, পত্রের তপস্যা বিশ্বে বরের আবিভাব কাহিনী কথন ২১৯; কামে*বর-লিঙ্গ প্রসঙ্গে ঘুবণাসার আনম্দকাননে আগমন, তপস্যা, দুরবাসার আভশাপ, গণসমহের ক্ষোভ, ঘুর্বাসার আতআ্মমংবরণ ২২৪ [বম্ধকমেন্বর লিঙ্গ প্রসঙ্গে ি*বকমণার বরহ্ষচযশীশ্রম? গুরদককুলের আদেশ, বারাণসগ' আগমন, তপস্যা, বরলাভ, গুরুকুলের সম্তুন্টিকরণ ২২৬; দক্ষেশ্বর লিঙ্গ' প্রসঙ্গে দক্ষের শিবহীন যজ্ঞ, পাঁতানন্দায় পাবাতর তনত্যাগ শিবগণ কর্তৃক দক্ষষজ্ঞ বিনন্ট, দক্ষের ছাগমুখ+ বারাণসীতে আগমন এবং মুক্তি ২৩০? পার্ধতীশ্বর গলঙ্গ প্রসঙ্গে পাধ্তীর পিতৃগৃহ ত্যাগ, আনপ্দকাননে আগমন, আনশ্দকাননে 'নরবাচ্ছল্ন আনন্দ রহস্য শ্রধন ২৪৩ ; গঙ্গেশ্বর লিঙ্গ মাহাত্ময ২৪৫ 3 নমদেশ্বর 'লঙ্গ প্রসঙ্গে নমর্দার গঙ্গাম্যাভিলাষে তপস্যা, ব্রহ্জার বর প্রত্যাখ্যান ; বারাণসীতে তপস্যা এবং স্বতন্ত্র মর্যাদা লাভ ২৪৩ ; স্তীশ্যর গলঙ্গ সমুম্ভব কাহনী ২৪৮৬ ; কাশীর 'বাভন্ন মোক্ষপ্রদ লিঙ্গ ছান্রশ তন পারচয় দান ২৫০: ব্যাসদেবের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে নোমবারণ্যে ধ্যাসের বিষুপ্রয়তা ঘোষণা, খাবদের অনুরোধে বারাণসীতে আগমন, 'বিষুর সবেশ্ষরত্ধ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে নন্দীকত্তুক স্তদ্ভন, ফর সাহাযোয স্তদ্ভন মানত, শিবের স্তাতি, ক্ষেত্রসম্যাদ, ভিক্ষানটনে পুরবাসর প্রতি অভিশাপ, পাবশতর আতথ্য গ্রহণ, ভ্রাম্ত অপনোদন, মহাদেবের আদেশে কাশী বাঁহচ্কার ২৫২7 আনন্দকাননস্হ 'লিঙস্বরূপ তীর্থসমুহের পাঁরচয়, মযীন্তমণ্ডপের মাহাত্ম্য প্রসঙ্গে মহানন্দার কাহিনী ২৫৯, মহাদেবের শঙ্গার মন্ডপে আগমন স্বয়চ্ভু [বশ্বেম্ধর লিঙ্গের পরিচয় প্রদান মাহাত্ম্য কথন ২৬৬ স্কন্দকর্তক কাশী- মাহাত্ম্য বর্ণণ শেষে শিবশর্মাকে কাশীপ্রাপ্তর আম্াস দান ২৬৭; ধ্যাসদেব' কর্তৃক কাশগ যান্রা পরিক্রমা বর্ণন ২৬৮ ! কাশগখন্ডের মাহাত্ম্য কথন ২৭০,

কাশীর বিশ্রনাথের মন্দির

পি দূ,

1 ৮, টিনা ..8...২ ৯১ ০৮ ন্‌

মণিকণিকা ঘাট

কাশীর গঙ্গাঘাটে পরিচিত স্মানদৃশ্য

[ অধ্যায় |

*-০তন শুর নারায়ণকে নমস্কার | বন্দশা কি দেবী সরম্বতীর-।। . খ্রিত।স-ধিপহিত, সববিদ্ববিনাশক মহেশ-নন্দন গজেন্দ্রবদন দেব গণশি খিনাধককে নমস্কার |. ভূলে:কে অবস্থিত হনেগ, যিনি ভূুলোক অন্তর্গত নন; অধঃ- প্রদেশে প্রাতিষ্ঠিত হয়েও যিনি স্বর্গাদপি গরীরসী, সংসারাবদ্ধ জীবগণের ধিনি মুক্তি-প্রদয়িনী ; জীবদেহ-পরবিশ্যাগকারী প্রাণ যেখানে পায় মোক্ষের সন্ধান * ভ্রিভুবন-পাবনী জাহ্ুবীর তরল-তরজ যার লীলার সদা-চঞ্চল ; স্বুরগণ তার তীরে বসে নিত্য ধার গান বন্দনা; দেবাদিদেব ত্রিপুরারিমহেশ্বর-এর রাজনিকেতন সেই ত্রিভূবন- বিদিত কশীধাম, বিশ্বের যাবতীয় বিদ্ব বিনাশ করুক ত্রিজগতের অধীশ্বন ব্রক্মা, বিষু, মহেশ্বর স্বয়ং ভর্গদেবের (স্ুর্যের ) উদ্দেশ্যে ভ্রিসন্ধার নিমিত্ত যে স্থানে নিতা যাতায়াত করেন, সেই স্থানাধিপ দেবদেব নমহেশকে নমস্কার

অষ্টাদশ পুরাঁণ রচয়িত! সভ্যরতীশুনয় বেদব্যাস কাশী-বন্দন। শেবে ম্বায় শিষ্য স্থতৈব নিকট সবপাপহারিণী কাশীখ,ণ্ডর মাহাত্ম্য কীত্ন করেছিলেন এইভাবে

একদিন ত্রিভুবন-পধটনকারী মহধি নারদ নরমদার স্বচ্ছ-সলিলে অবগাহন সরে ওঁকারেশ্বর মহাদেবের অনার পর সামনেই বিন্ধ্য- পবঠ দেখে, এলেন পবত-দর্শনে। স্থাবর-জঙম নিয়ে সুবিস্তৃত, সুউননত বিদ্ধো পাৰদেশ বিধৌত করে চলেছে নর্মদার নির্মল সলিল ধরাধর এই ভূধনের প্রান্ত হতে প্রান্তে, সাছদেশ হতে শিখর পথস্ত বৃক্ষ, পুষ্প, লতা, গুলা, যেন থরে-থরে সজ্জিত ; ফলভারে আনত বৃক্ষরার্জিষেন নিরন্তর আহ্বান করে চলেছে ক্ষুধা-তৃষ্ণাতুর পথিককে

| কাশী--১

কোথাও তাল-তমাল হিস্তালের সমারোহ কোথাও বা বিস্তৃত পরিসরে উদ্ম্বর যজ্দডুমুর বৃক্ষনিকর ) কোথাও বা প্রন্ফুটিত নীপ, কদম্ব কোথাও রুদ্রাক্ষ, প্ররিয়াল, ধৃস্তর। কোথাও বা শীতল নেহ- ছায়াদানে রত বিশালকায় বটবৃক্ষ-সমূহ। কোথাও বা বনলক্ষ্মীর বৃত্যালয়-সদৃশ শোভমান রক্তবর্ণ নাগরঞ্জ কুগ্জসমূহ, অনস্ত কক্কাল লতিকা, লবলী পল্লব ; বানীর, বিজপুর, জন্বীর কোথাও বা বাহু বিকম্পিত কপূর শাখ।, উজ্জবলকান্তি রাজচম্পক-কলিকা নিত্য যেন করে চলেছে বিদ্ধ্যের আরতি কোথাও বা বদরী, বন্ধুজীব, জীবপত্র, তিন্দুক, ইঙ্ছু'দি, সাল, অজুনি, অঞ্জন, খজুরি, নারিকেল, নিম, বকুল, তিলক, দেবদারু, হরি কোথাও বা এলাচ, লবঙ্গ, মরিচ, কুদ্দাল, জন্বু, আত্রাতক, ভল্লাত। কোথাও বা অগণিত শ্বেত রক্তচন্দন, হরীতকীর মেলা ঘুরে-ঘুরে দেখেন মহধি নারদ অশেষ সম্পদশালী অন্ুপম বিন্ধ্য, সবেশ্বর্ষের আকর, স্বর্গ অপেক্ষাও ঘেন ভাম্বর ভাবেন মনে-মনে দেবখধিগণের কাছে তাই বুঝি বিন্ধ্য এত আকর্ষণীয় উদার ভূধর বিদ্ধ্য অভ্যাগতের কাছে প্রকৃতই অকৃপণ।

্রন্মা-তনয় মহধি নারদ তেজঃপুঞ্জ কাস্তি। যেখান দিয়েই তিনি পরিভ্রমণ করেন, সেখানকারই গুহার অন্ধকার যায় বিদ্ুরিত হয়ে। বিচলিত হয় বিন্ধ্যের বিশ্রীম সচকিত উল্লাসে এগিয়ে আসে দেবধির কাছে সসম্ভ্রন আহ্বান নিয়ে। পাষাণ-হৃদয় তার দ্রবীভূত হয়ে উঠল দেবধির সন্দর্শনে নিজেকে সে মনে করল সৌভ গ্যশালী | উন্নত শির আনত করে আভুমি প্রণাম জানাল সে মুনিবরাকে | অষ্টোপকরণে করল তার অঠন]।

অর্থ-গ্রহণের পর বিশ্রামশেষে মুনিবর অপগত-শ্রম হয়েছেন দেখে কৃতকৃতার্থ বিদ্ধ জানাল মুনিবরের এই প্রসাদ লাভ তার পুবজন্মের স্থকৃতির ফল-_ধরাধর” নাম আজ তার সার্থক হল

কোন প্রত্যুত্তর না কনে বিন্ধ্যের কথায় দেবধি একটি দীর্থনিশ্বাস ত্যাগ করলেন মাত্র।

প্রশ্ন জাগে বিদ্ধ্যের মনে_দেবধষি কী তাকে ধরাধর' হিসেবে

্‌

খ্বীকৃতি দিতে অসম্মত? কেন? পৃথিবীতে ভুধর অনেক আছে ঠিকই কিন্তু সর্বৈশ্ব্য দিয়ে কে তার মত পৃথিবীকে ধারণ করে আছে ? সবমের পবতকে সকলেই দিগেছেন শ্রেষ্ঠত্বের সন্মান, কিন্তু, স্থমেরু ত* তার মত একক নয়। অধিক সুবর্ণ-পুর্ণতা কিংবা বতুময় সান্ুদেশ অথবা দেবগণের আবাসস্থল হতে পারে স্থমেরু, তবু বিদ্ধ্যের বিশালত্ব আর সবময়ভার সঙ্গে তার তুলন? অন্চিত। হিমাঁলয়কে 'গিরিরাজ' বলে সন্মান দেয় সকলে কিছু-কিছু পৰতের আধিপত্য তাতে আছে ঠিকই, কিন্ত সত্যিই কি পর্বত-রাজ হবার যোগ্যতা তার কাছে? পার্তী-মহাদেবের সম্বন্ধ-সথত্রেই তার সম্মান; এছাড়া আগ কোন গুণে পে গুণান্বিত? এছাড়া অনেক ভূধর রয়েছে বটে, যারা অনেক মাননীরেরই মাশ্য কিন্তু দেশ ছাঁড়। বহিধিশ্বে তাদের পরিচিতি কতটুকু? উদয়গিরির স্বকীয়তা কোথায়? স্ুযোদরের অপেক্ষায় উদয়গিরি জীবন্মত। ওষধিলতা-বিহীন ন্ষিধ পরত অতি নগন্য, কান্তিবিহীন। নীলপবত ৩” নিজেই অন্ধকাবাচ্ছন্ন গ্রীহীন মন্দরগিরি। ম্লয়-পৰ্ত একমাত্র সর্পকুলেরই আবাসস্থল ধনৈশ্বর্ কাকে বলে রৈবতপবত তার কিছুই জানে না। হেমকুট হল কুটীলাগ্রগণ্য এছাড়া, কিছ্ষিন্ধ, ক্রৌঞ্চ, সহা ইত্যাদি যেসব পবত রয়েছে তাদের সামর্থ্য কোথায় এইভাবে পৃথিবী ধারণের ?

আখত্মশ্রাঘায় স্ষীত বিদ্ধ্য। সবৈশ্বর্ষের আকর হলেও বিন্ধ্য জানে না_আত্বশ্রাঘ! মৃহাত্ের পপ্রিচায়ক. বয়; তাছাড়! শ্রীশৈল প্রমুখ এমন অনেক পবত আছে, যাদের শিখর দর্শনেই যুক্তি লাভ হরে থাকে সবজ্ঞ দেবি নারদ মনস্থ করলেন, বিদ্ধ্যের সামর্থ/ কতখানি, একবার তা পরীক্ষা করে দেখা যাক

বিদায়কালে অত্যন্ত সংযমের সঙ্গে দেবি নারদ তাই বললেন বিন্ধযগিরিকে- গ্যাথ বিদ্ধ, একমাত্র শৈলশ্রেষ্ঠ স্রমেরই তোমার প্রবল প্রতিদ্বন্দী। এই বলে নারদ তার বাহনে আকাশপথে প্রস্থান করলেন

নারদের কথ! শুনে, বিদ্ধে/র মনে স্থমেরুর প্রতি জেগে উঠল তীব্র

বৈরীভাব সুমেরুর গব চূর্ণ করারস্পুহায় উত্তোজত হয়ে উঠল বি্ধ্য চিন্তাক্রিষ্ট হল সে। একবার ভাবল, পক্ষ বিস্তার করে সে উড়ে গিয়ে পড়বে সুমেরুর ঘাড়ে ; দেখিয়ে দেবে তার গুরুভার | কিন্তু সে উদ্ভমও হল বুথা বিস্মৃত হয়েছিল, দেবরাজ ইন্দ্র তাদেরই কোন পৃৰপুরুষের প্রতি কৌপবশে গব হসমুহ্র পক্ষ ছেটশ করে ভার স্থান করে দিয়েছেন তাহলে কি উপায়ে নজ পরাক্রম প্রকাশ করে সুমেরুর দস্ত চুণ করা যায়? ব্রমবর্ধমান ব্যাধি, শক্ত] যেমন উপেক্ষা কর! উচিত নয় তেমনি কালক্ষেপ করা সমীচীন নয়

অনেক ভাবনা-চিন্তার পর অনন্যোপার বিদ্ধ্য শেষে শহণ নিল বিশ্বত্রষ্টা; ভগবান বিশ্বেশ্বরের শণাগহ ভক্ত, মনোবাঞ্ছা পুরাণের ইক্ষিতও পেল ঠিক করল, গ্রহ-নক্ষব্রগণ-সহ স্থমের পরিভ্রমণকারী স্র্ধের পথ সে অবরুদ্ধ কপে দাড়াবে * দেখাবে তার অনমনীয় শাক্ত- সামর্থ | পথের সন্ধান পাওয়ার সঙ্ষে-সঙ্গেই ম্ফীতকাছ হয়ে উঠতে লাগল বিন্ধা। শিখরশ্রেণী ভার গগনপথ আতিক্রম কারে প্রায় নভোমার্গের শেষ সীমা স্পর্শ করল দূরীভূত হল বিন্ধ্যের চিন্তা ; সুমেরুর প্রতি সার্থক বৈরিতায়, উৎফুল্লিত তার হৃদয় মানে-মনে এই ভেবে সন্তুষ্ট হল, শক্তির পরিচয় না পেলে সকলেরই স্পর্ধা জাগে উপেক্ষা করার স্বীকৃতি লাভের একমাত্র পথই হল শক্তির প্রকাশ একখগ্ড কাঠিকে উপেক্ষা করে যাওয়। সাজা কিন্তু, সেই কাঠ যখন জ্লস্ত হয়ে উঠে, তখন !

এইভাবে বিমুক্ত চিন্তায় বিন্ধ্য 'ফীতকায় হযে অপেক্ষগ। করতে লাগল স্থোদযের |

|]

| অধ্যায় -

_. পূর্বদিকে কিরণজাল বিস্তার করে সমুদিত হলেন স্থ্ষ তমিত্রা- পজনী শেষে আবার প্রাণস্পন্দনে মুখর হয়ে উঠল বিশ্বচগীচর মুদিতানন। পানী নেলল আখি! স্ব-স্ব কর্মে রত হল জীবকুল গমনপথে প্রির প্ুথবীর যাবতীর স্থাবর-জঙ্গমের উপর অন্ুপাগের করস্পশ আর জীবনের আশ্বাস দিতে-দিতে দিকপতি স্ুষ অগ্রসর হলেন দক্ষিণ দিকে কিন্তু অনায়াসে শুম্তমার্গ বিজয়ী সের অশ্বগণ বাধা পেল স্ষীতকায় বিন্ধের কাছে এসে থেমে গেল স্থধের রথ স্থধ-সারথি অনুরু দেব তপনকে জানাল-বিদ্ধ্যগিরি নদে গগণ-মাগ অবরোধ করেছে অভিলাস তার, প্রত্যহ সুমের পবতকে প্রদক্ষিণ করে আপনি যেমন আস্তাচলে যান, বিন্ধাকেও তেমনি প্রদক্ষিণ করতে হবে। শুনে স্তম্তিত হলেন তপনদেব-- শৃণ্যমাগও অধরুদ্ধ হয় !

অমিত শক্তির আকর তেজোদীপ্ত তপনদেধ, আধ-পলকে যিনি আক্রমন করেন হুহাজার ছুশো যোজন পথ €১ যোজন -৪ ক্রোশ ), বিধিব বিধানে তাকেও কিছুকাল একজায়গায় নিশ্চল হনে থাকতে হল ! এই শিশ্চল অবস্থানের ফলে ভার প্রথর কিরণ- ভাপ পোধবহ্ছিগ মণ প্রজ্মলিত হচ্ছে থাকল পুব উত্তর দিকে আবার পশ্চিম এবং দক্ষিণ দিক, চন্দ্র অস্তমিত এবং নিশাবসান হওয়ার পরেও সুর্যের অন্ুুদয়ে বিভ্রান্ত হয়ে ভাবতে শুরু করল--এল কী প্রলয়কাল ! একদিকে নৈশ-তিমির, অপর দিকে আতপ-তাপে দগ্ধ জীবকুল আর স্থির থাকতে না পেরে ভয়বিহ্বল-চিত্তে ইতস্ততঃ ধাবমান হল্‌। যাঁগ-বজ্ঞ, দেবাচন। প্রাত্যহিক ক্ক্রিয়াকর্ম পরিত্যাগ করে প্রজা বৃন্দ উন্মত্ত হয়ে উঠল নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে

ভীত হয়ে উঠলেন দেবগণও | নিরুপায় হয়ে সকলে মিলে

ছুটলেন তারা সত্যলোকে জগৎপিতা ব্রহ্মার কাছে। বিপর্যস্ত পৃথিবীকে রক্ষার আবেদন নিবে শরণাগত দেবগণ' ত্রহ্মাব হৃদরগ্রাহী স্তব করলেন “কালাৎ পরায় কালায় স্বেচ্ছা পুরুষায় চ। গুণত্রয় স্বরূপার নমঃ প্রকৃতিরূপিণে বৈষ্ণবে সত্বরূপায় রঙগোরপায় বেধসে। তমসে রুদ্ররূপায় শ্থিতিম্বর্গাভতকারিণে 1” _-তুমি কালাতীত হয়েও কালম্বরূপ, তুমি স্বেচ্ছায় গ্রহণ করেছ পুরুষরূপ। আবা? তুমিই সেই ত্রিগুণা প্রকৃতি ।. সত্বগুণে তুমি বিঞু-কর জগতের পালন, রজোগুণে তুমি ত্রহ্মা--কর স্থগ্ি, আবার তমোগুণে তুমিই রুদ্র--কর সংহার। তোমারই নিঃশ্বাস-প্রস্ত চতুর্বেদ, তোমারই ম্বেদ হতে উৎপন্ন সমস্ত জগৎ, তোমার পদতল- সমুভূত সমস্ত প্রাণী, স্বর্গ তোমার মস্তকপপ্রস্থুত, তোমার নাভি হতে আকাশ, লে'মরাজি হতে বনস্পতি, মন হতে চন্দ্রমী, চক্ষু হতে সুধ। তুমিই সব, তোমাতেই সমস্ত তত্বমেব সবং ত্বরি দেব সর্বং স্তোতা স্বতিঃ স্তব্য ইহ ত্মেব। ঈশ ত্বয়ীবাস্তমিদং হি সব্বং নমোহস্ত ভূয়োইপিনমো নমাস্তে ॥”__তুমিই স্ততি, ভূমিই স্তোতা, তুমিই স্তব্য এই বশ্বচরাচর তোমাতেই ব্যাপ্ু! হে ঈশ, তোমাকে নমস্কার, বারংবার নমস্কার

সবজ্ঞ ব্রন্মা স্তবে তুষ্ট হয়ে প্রণত দেবগণকে অভিলষত বরদানে উদ্ভধত হয়ে বললেন-এখানে ব্যাকুলতার কোন অবকাশ নেই। মুিমান চারি বেদ, সমস্ত বিদ্যা, যজ্জ, সত্য, ধর্ম, তপ, দম, ব্রহ্মচর্য, করুণা, শ্রুতি, স্থৃতি- সমস্ত লোকগণ বিরাজ করছেন। ষল্ডরিপুজয়ী ব্রহ্ম নিষ্ঠ, তপোনিষ্ঠ, সদ্ব্রতাচারী, ব্রহ্মচারী ব্রাহ্মণগণ এখাঁনে স-সম্মীনে অধিষ্টিত। দান গ্রহণ করার সামর্থ্য থাক সত্বেও, যারা প্রতিগ্রহ-বিমুখ, গায়ত্রী জপ-নিরত, অগ্নিহাত্র- পরায়ণ ব্রাহ্মণ ; মাঘ মাসের মকর-সংক্রান্ভিতে ধারা হয়েছেন প্রয়াগ তীর্ঘন্লাত, কাতিক মাসে বারাণসীর পঞ্চনদে তিনদিন স্নান করে ধারা হয়েছেন নির্মল, তার! আমার সকাশে বিরাজ করছেন ্ূর্যতেজ নিয়ে মণিকণিকায় স্নান সেরে ধার। ব্রাহ্মণদের ধনাদি দানে তৃপ্ত করেছেন,

তারা আমার সকাশে এক কল্প (ব্রহ্মার একদদিনরাত অর্থাৎ ৮৬৪ কোটি বৎসর) অবস্থানের পর, পুনরায় কাশীধামে প্রত্যাগমন করে বিশ্বেশ্বরের প্রসাদে মুক্তি লাভ করবেন। অবিমুক্ত ক্ষেত্রে যদি অল্প সৎকর্মও কেউ করে, তবে মুক্তিলাভ তার স্থুনিশ্চিত। 'দেবগণ, স্নান, দান, জপ কিংবা পুঞ্জায় স্বনিষ্ঠ হলেও, যদি কেউ ত্রাহ্মণগণকে পরিতৃপ্ত করতে না পারেন, তিনি কখনই আমার লোকে আসতে পারবেন না। বিষু্র, আমার এবং মহাদেবের অতি প্রিয়জন হল ব্রন্দণ। আমরাই ধরাধামে ব্রাহ্মণ মুতিতে পরিভ্রমণ করে থাকি বেমন ব্রাহ্মণ, তেমনই হল গো-জাতি। গোদেহে আমি, বিষ্ণু, মহাদেব মহধিগণের সঙ্গে চতুর্দশ ভূবন অবস্থান করি গো-সেবা, গো-দান এব তুল্য পুণ্যকর্ম নেই। ব্রাক্মণগণকে গোদানের তুল্য দান আর নেই। সবদেহে গো-লাঙ্গুলের স্পর্শ, অলঙক্ষ্মী, কলহ, অশান্তি দূর করে থাকে এই পুথিবী ধারণ করে আছে সাতটি শক্তি গো, বিপ্র, বেদ, সতী, সত্যবাদী, অলোভী আর দানশীল আমার এই লোকের উধের্বে বৈকু্ লোক, তার ওপরে উমালোক, তার ওপরে শিবলোক, তার ওপরে গোলোক ; মহাদেবের প্রিয় স্শীল। প্রভৃতি গোমাতৃগণের এখাঁনেই আবাস ধারা গো-সেব। অথব1! গো-দান করেন তারা এর কোন-না-কোন একটি লোকে সুখে অবস্থান করেন!

তবে দান বথার্থ ব্রাহ্মণকেই কর। বিধেয়, তবেই ফললাভ হয়ে থাকে শ্রুতি, স্মৃতি, পুরাণাদির তত্ব ধারা সম্যক অবগত হয়েছেন, অনুশীলন করছেন অথবা শ্রুতি, স্মৃতিকে ধার ছুটি চক্ষু এবং পুরাণকে হৃদয়তুল্য জ্ঞান করে থাকেন, তারাই বথার্থ ব্রাক্মণ, অপর সকলে 'কেবলমাত্র ব্রাহ্মণ নামধারী সুতরাং গো-দান সেই যথার্থ ব্রাহ্মণে হলেই স্থখ-শান্তি লাভ হয়ে থাকে

যাই হোক, আমি জানি, তোমাদের আমার কাছে আসার কারণ কি? সুমেরুর প্রতি বিদ্বেষবশে বিদ্ধ্যপর্ত স্ফীতকায় এবং উন্নত শির নিয়ে গগন পথে স্র্যের গতিরোধ করেছে শোন, মিত্রাবরুণ-

চা

তনয় মহাতপস্বী অগস্ত্য অবিষুক্তক্ষেত্র কাশীধামে কঠোর তপক্তায় রত রয়েছেন। তোমরা তার কাছে যাঁও। তিনি তোমাদের অভীষ্ট পুরণে অবশ্যই সাহায্য করবেন। সূর্য অপেক্ষাও অধিক তেজশালী অগন্ত্য একসময় বাঁতাপি এবং ইন্বল নামে ছুই রাক্ষপকে ভক্ষণ করে পৃথিবীকে রক্ষা করেছিলেন। সেই থেকে সকলেই তাকে বেশ সমীহ করে এই বলে ব্রহ্মা অস্তহিত হলেন

ব্রহ্মার পরামর্শে তৎক্ষণাৎ কাশীগমনের নিমিত্ত প্রস্তুত হয়ে নিলেন দেবগণ। অন্তঃকরণ তাদের পুলকিত হয়ে উঠল অগস্ত্যকে উপলক্ষ্য করে কাশীধাম এবং কাশীপতির দর্শন লাভের স্থযোগ সমাগত দেখে মনে-মনে ভাবলেন স্ুকৃতি ন' থাকলে সেই ঘোক্ষধাঁম দর্শনের কী স্থযোগ মেলে ?

] অধ্যায় 7.

দেবগণ অতঃপর কী করলেন, অগন্ত্য সমীপে তাঁরা কী প্রার্থন! রাখলেন, বিদ্ধ্যপৰতের উন্নত শির কিভাঁবেই বা আনত হল, ম.1মতি স্ৃত জানতে ইচ্ছুক হলে ব্যণাসদেব বললেন £

দেবগণ ব্রহ্মার পরামর্শে আর কাল।বলম্ব না করে সঙ্গী মহস্বিদের নিয়ে এদেন বারাণসী ধামে সবস্ত্রে যথাবিধি মণিকণিকায় আসান সেরে সন্ধ্যা-বন্দনা, পিতৃ-তর্পণাঁদি শেষে ব্রাহ্মণদের উৎকৃষ্ট দান, বিদ্যার্থাদের অন্ন, অতিথি সেবার জন্য ধনাদি, লেখকদের বৃত্তি, দেবালয়ের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি দান এবং জপ, হোম, স্তোত্রপাঠ, শিব-কীর্তন করতে করতে চতুদিক পরিভ্রমণ, ত্রন্মচ অবলম্বন করে বিশ্বেশ্বরকে প্রণাম, বিশ্বনাথ দর্শন, ইত্যাদি নিয়ে পাঁচটি রাত অতি- বাহিত করে, এলেন মহাযুনি অগস্ত্যের আশ্রমে দেখলেন দেবগণ, স্বীয় নামে শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করে শতরুদ্রী জপে সমাহিত মুনিবর__ দ্বিতীয় স্ুর্ম যেন, অথচ সেই তেজ কী অপরূপ ক্িপ্ধ এবং শাস্তিময়

স্র্যও ম্লান যেন তেজের কাছে, ত্ুশীতল চন্দ্রের প্সিগ্ধ কিরণও যেন তার ন্সিগ্ধতায় বিশ্মিত। সেই সঙ্গে দেবগণ দেখলেন, শ্বাপদ-সঙ্কুল আশ্রম, অথচ কী অপরূপ হিংসাদ্বেষ£,; দেখলেন সিংহ- শাবকদের সরিয়ে দিয়ে সিংহীর স্তন পান করছে মুগশিশু, নিদ্দ্িত .ভল্লুকের লোমসমূহের ভিতর থেকে কীট বেছে ভক্ষণ করছে বানর। ময়ূরের কণ্ঠে স্বীয় কণ্ঠ বর্ণ করছে সর্প, আসন্নপ্রসবা মৃগ্ীর দিকে করুণ নয়নে তাকিয়ে রয়েছে ব্যান আর ব্যাম্রীর সঙ্গে সখীত্বের বন্ধনে আবদ্ধা মুগী চলেছে নিরাল! স্থানে স্বভাব-নৈরিতা ভূলে মনের আনান্দে খেলা করছে নকুল সর্পের সঙ্গে মাংসাশী শ্বাপদ, অথচ মাংসভক্ষণে অনীহা নিয়ে প্রাণধারণ করে চলেছে তৃণগুল্মাদি ভক্ষণ করে। এমনকি অগক্ত্যের তপঃপ্রভাবে বকও মস্ত ভক্ষণে পরাজ্ঞুখ, মধূপের! মধুপানে বিরত শিবক্ষেত্র বারাণসীর কী অপরূপ মহিম1! দেবাদিদেব শঙ্করের অধিষ্ঠানক্ষেত্র কাশীধাম বিশ্বেশ্বরের প্রসাদে তারকত্রক্গ নাম নিয়ে তারই মাহাত্ম্য জেনেছে যেন সেই সারতত্ব-- হিংসা পাপ, প্রাথ-নাশ এবং প্রাণীর বিনিময়ে প্রাণধারণ এক কল্প পরিমিত নরকভোগের সমান, মদ্-মাংস হতে শঙ্করের অবস্থান বহুদূরে --মহাদেবের প্রসাদ, মহাদেবের কৃপাই মুক্তিলাভের অনন্ত পথ এখানকার '্রাণীমাত্রেই যেন জেনেছে সেই সারমর্ম-অবিমুক্ত এই ক্ষেত্র শিবপবায়ণ হয়ে বসবান করলে মনুষ্য জন্ম ত' বটেই এমনকি তিষক জাতিরও যুক্তি সুনিশ্চিত |

বিন্মিত দেবগণ এইসব দেখতে-দেখতে প্রবেশ করলেন মুনিবরের আশ্রমে পরক্ষীকুলকে দর্শন করে পুনরায় পুলকিত হয়ে উঠলেন , তার।। দেখলেন সারসীর কষ্ঠোপরি কণ্ঠলগ্ন সারস নিশ্চল-_-যেন শিবধ্যানে রত। রমণেচ্ছু হংসকে হংসী, চক্রবাককে চক্রবাকী যেন নীরবে অনুণয় করছে এই পবিভ্র-আশ্রমে কামভাব পরিত্যাগ করতে, শালিক পক্ষার স্ত্রী মুছ-মধুর ভাষে শালিককে শোনাচ্ছে “মহাদেব অপার এই সংসারের পারদাত1।” কেকারবহীন নিস্তন্ধ ময়ূর ধ্যানমগ্ন 'অগন্ত্যের যেন ধ্যানভঙ্গ না হয়ে যায়। বিহগকুল যেন

৪১

সে বিষয়ে সদাজাগ্রত।

স্বর্গবাসী, স্বর্গন্থখে সুখী দেবগণ কাশীধামকে দেখে স্বর্গকেও ধিকার দিয়ে উঠলেন বললেন, আমর! স্বর্গবাসী হয়েও কাশীবাসী পতিত ব্যক্তির তুল্যও নই। স্বর্গ থেকে পতনের ভয় আছে কিন্তু মহাদেবের শরণাগত কাশীবাপীর পতনের কোন আশঙ্কা নেই। কাশীতে শশক, মশকেরাও অনায়াসে যে পদ লাভ করে থাকে, অন্যত্র যোগবলে যোগীরাও পায়না তা অন্তর নিক্ষণক রাজ্যভোগ থেকে কাশীতে যদি মাসাবধি উপবাস করে থাকতে হয়, দারিক্রযের সঙ্গে কাল কাটাতে হয়, তবুও তা অনেক পরিমাণে সুখপ্রদ আমর দেবতা, অমিত-শক্তি নিয়ে স্বর্গরাজ্যের এক-একজন অধীশ্বর, অথচ এক বিষ্ক্যগিরির ভয়ে আজ আমর] ভীত ব্রহ্মার দিবসের অষ্টম ভাগে লোকপাল, স্্ধ, চন্দ্র, গ্রহ-তারা সবাই বিলুপ্ত হয়ে যায়, বিলুপ্ত হয় ইন্দ্রত্বের পদও কিন্তু পরার্ধদ্য় ( এক পরার্ধ- ১০ কোটি- কোটি বছর ) পরিমিতকাল কাশীতে অবস্থান করলেও তাঁর বিনাশ নেই। ব্রক্ষাণ্ডের যাবতীয় স্বখের আধার এই কাঁশীধাম উত্তর- বাহিনী গঙ্গায় সান করে এখানে যে জন যায় বিশ্বেশ্বর দর্শনে, সে লাভ করে অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল। জন্ম-জন্মাস্তরের সঞ্চিত পুণ্যই এনে দেয় কাশীবাসের স্যোগ বিশ্বেশ্বরের শরণাগত জন যারা আন্তরিক শ্রদ্ধার সঙ্গে গঙ্গার দর্শন, স্পর্শন, সান, আচিমন, সন্ধ্যা, উপাসনা, জপ, তর্পণ, আর নীলকঞ্ দেবদেব মহাদেবের ভজন করে, শুরুপক্ষে বধিত-কলা চন্দ্রের মতই অন্তরে তার ধর্ম কাণ্ডে-পুম্পে-ফলে সুশোভিত হরে ওঠে বিপ্রগণের পাদোদক দ্বার সিক্ত শ্রদ্ধা হল সেই ধর্মবৃক্ষের বীজ, চতুর্দশ বিদ্যা তার শাখা অর্থশান্ত্র তার পুষ্প। কাম আর মোক্ষ-_-এ ছুটি হল তার স্থুল এবং সুল্ম ফল। স্বয়ং ভবানী অন্নপূর্ণা এখানে করেন অর্থপ্রদান, ঢুণ্ডিরাজ গণপতি পূরণ করেন জীবের যাবতীয় কামন৷ আর অন্তকালে স্বয়ং বিশ্বেশ্বর মৃমুধূুর কর্ণে তারকক্রন্ম উপদেশ দিয়ে ভব-বন্ধান থেকে মুক্ত করেন ধর্ম, অর্থ, কাম মোক্ষ এই চতুবর্গ নিয়ে ধর্ম কাশীক্ষেত্র ছাড়া আর

১৩

কোথাও বিরাজ করেন না। ভ্রিলোকীও ম্ববপরূপ বিশ্বরূপ বিশ্বেশ্বারের অধিষ্ঠান ক্ষেত্র কাশীক্ষেত্রের তুল্য নয়

নিজেদের মধ্যে এইসব আলোচন। করতে-করতে মহস্ষিগণসহ দেবগণ হোমধূমের স্ুগন্ধে পরিপুর্ণ, পতিব্রতা-সাধ্বী লোপামুদ্রার চরণচিহ্ন দ্বার? অঙ্কিত ধ্যানমগ্ন অগস্ত্য মুনির কুটার-প্রাঙ্গণে দাড়ীলেন প্রণাম করে। সগ্ঠ সমাধি হতে উখ্িত কর্ণে অক্ষমাল! বিভূষিত, কুশাসনে উপবিষ্ট পরমেঙ্টির ন্যায় শ্রেষ্ঠ অগক্ত্য মুনির উদ্দেশ্ট্ে ইন্দ্র- প্রমুখ দেবগণ জয়ধ্বনি দিলে, সুনিবর দাঁড়িয়ে তাঁদের আপ্যায়ণ জানালেন, আশীরবাদ করলেন এবং জানতে চাইলেন তাদের আগমনের কারণ

| অধ্যায় 7

জিজ্ঞান্্ মুনিবর অগন্ত্ের সামনে দেবগণের মুখপাত্র হারে এগিয়ে এলেন দেবগুর বৃহস্পতি তিনি অগস্ত্যের তপস্ত। এবং পরোঁপকাবী মানসিকতার বন্ুতর প্রশংসা কলেন তারপর পঞ্চমুখ হয়ে উঠলেন যেন, অগস্ত্য-সহধমিণী লোপামুদ্রার পাতিত্রত্যের প্রশংসার |

প্রতোক অবন্যে, প্রত্যেক পর্বতে, প্রত্যেক আশ্রমেই আছেন অনেক-অনেক তপোধন ; কিন্তু অগক্ত্যের মত এমন গদার্ধ-গুণ- সমন্বিত, পুণ্যশ্লী-মণ্ডিত, ব্রহ্মতেজ-সম্পন্ন তাপস বিরল। কেনই বাতা হবে না-পতিব্রতা (লাপামুদ্রার মত সহধক্সিণী ধার সতত অন্ুগামিণী ! ৃ্‌

সতীত্ব এবং পাতিত্রত্যে চিরস্মরণীয় হলেন অরুন্ধতী, সাবিত্রী, অনস্থুয়া, শাগ্ডিল্য, সতী, লক্ষ্মী, শতবনপা, মেনকা' সুনীতি, সংজ্ঞা, স্বাহা। তবুও পাতিব্রত্যের প্রসঙ্গ উত্থাপিত হলে এ'রাঁও নিদ্ধিধায় লোপামুদ্রার প্রশংসায় অ্ুয়াহীন হয়ে ওঠেন।

১১

স্বামী আহার্য গ্রহণ ন! কর পর্যন্ত যে স্ত্রী আহার্ধ গ্রহণ করেন না; স্বামী নিদ্রা গেলে, যে স্ত্রী শধ্যাগ্রহণ করেন আবার ব্বামীর শধ্যাত্যাগের পূর্বেই যিনি শয্যাত্যাগ করেন ; অনলঙ্কৃত1 হয়ে যিনি স্বামী সন্দর্শন করেন না, অথচ অলঙ্কৃতা এবং বেশভূষায় সজ্জিত! হয়ে যিনি গৃহান্থর গমন করেন না আবার স্বামীর আয়ু-বৃদ্ধির কামনায় যে স্ত্রী কখনও স্বামীর নাম মুখে উচ্চারণ করেন না সেই স্্রীই প্রকৃত পতিব্রতা কোন কারণে স্বামী রাগান্বিত হয়ে তিরস্কার করলেও, ধিনি প্রসন্ন-বদনে ত1 গ্রহণ করে থাঁকেন : স্বামীর আহ্বানে সাঁড়। দিতে যিনি কালবিলম্ব করেন ন1; স্বামীর বিনা অন্ুমাঁতিতে ঘিনি কাউকে কিছু দেন নী; অথচ পুজাদির নিমিত্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রেব্যাদি যোগাড় করে দিতে যিনি স্বামীর অপেক্ষা করেন না; দ্বারদেশে বন্থকাল অবস্থান বা শয়ন করেন না; পতির উচ্ছিষ্ট যিনি মহাপ্রসাদরূপে গ্রহণ করেন আবার দেবতা, পিতা, অতিথি, পরিচারকবর্গ, গোরু এবং ভিক্ষুকগণকে যিনি সবদাই অন্ন-ভাগ দিয়ে থাকেন- তিনিই যথার্থ সাধবী |

খতুকালে যিনি থাকেন স্বামীর অন্তরালে এবং তিনদিন পর খতুন্নানান্তে ঘিনি সবাগ্রে স্বামী সন্দর্শন করেন, স্বামীর অবর্তমানে স্বামী ধ্যানরহা হয়ে ঘিনি স্থধ দর্শন করেন ; প্রগলভা' নারীসঙ্গ- বিপজিতা হয়ে ধিনি স্বামীর তৃপ্তি-সাধনে ব্রতচারিণী; যিনি স্বামীর সুখে সখী, স্বামীর ছুচখে ভ্বখী ; পতির সেবাই যার একমাত্র ব্রত, ধর্ম এবং দেবারাধনা--ভিনিই যথার্থ পতিত্র পত্বী।

লোপামুন্রা এই সবকটি গুণে গুণান্বিতা। শুধু তাই নয়, লোপামুদ্রারহৃদয়ে স্বামী অগস্ত্যের স্থান সব দেবতারও উধ্বে”। পতির পাদোদক পানই একমাত্র পুরণ করে থাকে পত্বীর তীর্থ কানের অভিলাষ কেননা, “ভর্ত। দেবে গুরুর্ভর্ত। ধন্মতীর্থ ব্রতাঁনি চ। তন্মাৎ সর্ববং পরিত্যজ্য পতিমেকং সমচ্চয়েৎ ॥” (৪1৪৮)--পতি ব্রত! পত্বীর কাছে পতিই হল একমাত্র দেবতা, গুরু, ভর্তী) তীর্থ, ব্রত-_ অপরিমেয় সুখদাতা, ষ! পিতা, ভাতা পুত্রও দিতে অপারগ মহাদেব

এবং বিষণ অবশ্থই পুজ্য কিন্তু স্ত্রীর কাছে অধিকতর পুজ্য হলেন স্বামী অনন্যচিত্তে ষে স্ত্রী স্বামী সেবায় রতা তিনিই সাধবী। তার তেজের কাছে তপনের তেজও হীনগ্রভ; তার শক্তির কাছে অগ্নির দাহিকা শক্তিও ম্লান। যমদূতের কিন্করেরাও ভীত হন সেই সাধবী পতিত্রভার কাছে আসতে বিবাহকালে ত্রান্মণেরা কন্যাকে এই বলে আশীবাদ করে থাকেন থে ছ্ছাঁয়। যেমন দেহের, জ্যোহস্ব। যেমন চন্দ্রের, বিছ্যৎ যেমন মেঘের অন্ুগামিনী, তুমিও তেমনিভাবে হবে পতির মন্গামিনী। ফলে যে স্ুকৃতি পত্বী অর্জন কন্বেন তার দ্বারা দৈববশে অধোগতি প্রাপ্র-ম্বামীকেও তিনি উদ্ধার করে নিয়ে যেতে পারবেন ব্বর্গলোকে মনুষ্য দেহে যতগুলি লোম আছে; তাবৎ কোটি পরিমিত কাল পত্তিব্রতার সঙ্গে ভাব স্বামী স্বর্গভোগ করে থাকেন

পতিতব্রতার পুণ্যবলে পিতৃবংশ, মাতৃবংশ এবং পতিবংশের তিন পুরুষ স্বর্গমুখ ভোগ করে আর স্ত্রীলোক ব্যাভিচারিণী হলে নিজের ইহকাল এবং পরকাল বিনষ্ট ত' করেন-ই সেই সঙ্গে পিতৃ, মাতৃ এবং পতিবংশেরও তিনটি করে পুরুষের অধপতন ঘটায়। যেস্থ্ী স্বামীর উক্তির ক্রোধতৎপর প্রত্যুত্তর করে সে মৃত্যুর পর গ্রামের কুক্ুরী অথবা বনের শৃগালী হয়ে জন্মগ্রহণ করে থাকে যেস্ত্রী স্বামী পরিত্যাগ করে পরপুরুষগামিনী হয়, সে জন্মান্তরে বৃক্ষকোটর বাসী পেচকী