১২0৭4

হি বি হা রি

7 শিতি

“85 ৮০০) 15150821030 925 9: ০1028 80865 0985 78510 58932017885

ল্নবান্দ্র-সঙ্গীতির থানা

শুভ গুহঠাকুরত! ল্রশ্বীতক্র্লতীতিল্ শ্বান্ক।

“দক্ষিণী” প্রকাশন বিভাগ কলিকাতা ২;

এপ কখস্শ এখধস্ সংস্কণ বাথ ১৩০৫০

কাশ

-সামেজ্ছনাথ ওক

ছশ্কষিণী ও্রকাশন বিভ্ঞাগ ২৯৩০২ আাসব্হিান্ী এভিনিউ কলিকাতা ২৯

এগশুচ্ছহাদশ্প্যউি স্ত্যজ্ি- শ্বাস্ম

সুক্রক €েব্েজ্ছন্যাথ বাগ

আরাহ্ম মিশন রস ২১১, কণশ্ডস্ানিশশ ট্রীট ক্ষব্সিকাত্ত। ৬০

বাশখিকেছেন প্ুুত্ভক্ক বন্ধন প্রতিষ্ভান ২৯২৯7 ১.৫] ব্ঠকত্ধান্ডা! €্াজ্ড

প্টক্সিবেশিক

সিনেট বুকস্দ'্

১২ বক্ষিম চাটুজ্্যে স্রাট সক ক্লিকাতা ১২

সববসনস্ফ সং ম্কিত্ভ ছ্যন্য পি ভাকা

শ্রীশৈলজারঞ্জন মজুমদার শ্ীচরণেষু-_

শৈলজাদা-_

রবীন্দ্র-সঙ্গীত অনেকের কাছ থেকেই শিখেছি এবং বহুভাবেই সংগ্রহ করেছি কিন্তু রবীন্দ্রনাথের গানকে সঠিক ভাবে জানবার প্রেরণা উৎসাহ আপনিই দিয়েছিলেন আমার কার্যক্রমে আপনি বরাবরই সাহায্য করেছেন এবং বন্ছুভাবে বনু ভুলশ্রাস্তি শুধরে দিয়েছেন। আমার নান অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ যেটুকু লিপিবদ্ধ করতে সাহসী হয়েছি তা আপনাকেই নিবেদন করলাম ইতি

প্রণত

গ্রন্থকারের নিবেদন

ছাত্রজীবনে, খুবই ছেলেবেলায় ববীন্দ্র-সঙ্গীতের প্রতি আসক্ত হয়ে পরেছিলাম, কিন্তু সেদিন নানা বাধাবিপত্তি অস্থবিধার মধ্য দিয়ে আমাদের গান শিখতে হয়েছে, করতে হয়েছে। আজ উপযুক্ত সঙ্গীত- শিক্ষকের অভাব নেই, রবীন্দ্র-সঙ্গীত শিক্ষায়তন কয়েকটিই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রবীন্দ্-সঙ্গীত আজ জনপ্রিয় তাই রবীন্দ্র-সঙ্গীত শিল্পীর অভাব নেই, সঙ্গীতান্গরাগী শ্রোতা রয়েছেন অসংখা, কিন্ত এই গান শোনানো এবং শোনার বাইরে আর একটা সমস্যা আছে যার সমাধান খুব সহজসাধ্য নয়। সে্টো হলো! ষে রবীন্দ্র-সঙ্গীতের বিরাট ভাগারকে সঠিক ভাবে কি উপায়ে জানা যায়! রবীন্দ্রনাথের আড়াই হাজার গান একটির পর একটি শিখে শেষ কর! সম্ভব নয় এবং সঙ্গীতান্ুরাগীদের কাছে রবীন্ত্র- নাথের সমগ্র সঙ্গীত-রচনাকে পরিবেশন করে এর সঠিক পরিচয় দেওয়াও অসম্ভব। ছু'দশটি, এমনকি ছ'একশ গান শুনিয়েও রবীন্দর- সঙ্গীতের বহুবিধ বৈচিত্র্যের পরিচধরী দান করা সম্ভবপর নয়। আমাদের এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল প্রথমে ১৯৪৮ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত “রবীন্দ্র-সঙ্গীত সম্মেলনে”র প্রথম অধিবেশনের সময়, যেদিন রবীন্দ্রনাথের সমগ্র সঙ্গীত-রচনার সহিত জনসাধারণের পরিচয়দানের দায়িত্ব আমাদের গ্রহণ করতে হয়েছিল। দেখা গেল যে রবীন্ত্র-সঙ্গীতে সতেরোটি বৈশিষ্ট্যসম্মত বারাঁর মাধ্যমে তুলনামূলক ভাবে রবীন্দ্রনাথের সমগ্র সঙ্গীতহ্টির পরিচয় দেওয়া সম্ভব। ববীন্ত-সঙ্গীত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবার পরে কলিকাতা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রতি মাসে একটি

1০/৩

ধারার অন্তর্গত সঙ্গীত-রচনাকে কেন্দ্র করে বারোটি আলোচনামূলক সঙ্গীতানুষ্ঠান পরিবেশন করে সম্পর্কে সঙ্গীতাহুরাগীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবার চেষ্টা করেছি।

সাহিত্যে সঙ্গীতে ববীন্দত্রনাথ আমাদের যে সম্পদ দিয়ে গেছেন, তার বিনিময়ে আমরা কতটুকু কর্তব্য সম্পাদন করেছি-_ একথা ভেবে দেখবার সময় হয়েছে। রবীন্ত্র-সঙ্গীতের এই বহুলপ্রসারের মধ্যেও সঙীত পরিবেশনে যে নব অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়, অজ্ঞতাই হলো তার প্রধান কারণ। সঙ্গীত-শিল্পী শ্রোতা উভয়েরই এই সম্পর্কে বিশেষ দায়িত্ব আছে-_ শিল্পীদের নবীন্দ্র-সঙ্গীতকে' আরো শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করতে হবে, বৈশিষ্ট্যসম্মত সঙ্গীত-পরিবেশনের মধ্য দিয়েই রবীন্তর- সঙ্গীতের অন্তশিহিত মাধুধ্য প্রচার করতে হবে, আর যথাথ জ্ঞান সঞ্চয়ন করে সঙ্গীতান্ুরাগীদের এই বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সজাগ হতে হবে। এই দ্বিবিধ আদর্শের প্রতি লক্ষ্য রেখেই আমি এই বই লেখার কাজে হাত দিয়েছি, কতটা সফল হব জানিনা তবে এই জাতীয় সম্পদের প্রতি কর্তব্যবোধেই এই পরিশ্রম, এবং ভবিষ্যতের ফলাফলের উপরেই এর সার্থকত। নির্ভর করবে।

- একজন সঙ্গীত-শিল্পীর প্রাথমিক জীবনে নানা প্রলোভনের সম্মুখীন হতে হয়। কধস্বরের মিষ্টতা থাকলে এবং সামান্ত তাললয়ের দখল থাকলেই বেতারে, রেকর্ডে গান গাওয়া বিশেষ কষ্টসাধ্য হয়না-_ যার ফলে শিক্ষা বা জ্ঞান সঞ্চয়নের স্পৃহা আর থাকে না, আসে আত্মপ্রচার আত্মগ্রতিষ্ঠার চেষ্টা। ফলে শিল্পবোধহীন শিল্পী স্থপ্টি হল, পরিশ্রম সময়সাধ্য শিল্পসাধনার আর অবকাশ রইলনা-_ যে অভ্যাস আত্ম- হত্যারই সামিল। অগ্রিয় হলেও কথাগুলি সত্য এবং আমার অভিজ্ঞতার মধ্যে আমি নিজেও এই প্রলোভনের সম্মুখীন হয়েছি এবং

1৩/০

মান্থুষ হিসাবে হ্বাভাবিক ভাবেই আমরাও এই সব গ্রলোভনের বশবর্তী হইনি এমন নয়। কিন্তু যেভাবেই হোক আমাদের সংযত হয়ে এই মানসিক দুর্বলতা পরিহার করতে হবে, নইলে সঙ্গীতরূপ শিল্পকলার প্রধান আদর্শ ক্ষুন্ন হাবে। এটা সতর্কবাণী নয়, ভবিষ্যতের রবীন্দর- সঙ্গীত শিল্পীদের কাছে এই আমার অন্ুরোধ।

'আজ আমার মনে পড়ে ত্বর্গত স্থজিত রঞ্জন রায়ের কথা, যার সঙ্গে ছেলেবেলায় একত্রে রবীন্দ্-সঙ্গীতের অনুশীলন করেছি এবং রবীন্ত্র- সঙ্গীতের জনপ্রিয়তার স্বপ্র দেখেছি আজ অবস্থার কত পরিবর্তন হয়েছে, কিন্ত সঙ্গীত-ক্ষেত্রে আমার নিত্যসঙ্গী সুজিতের সঙ্গে সেদিন নেহাৎ সখের খাতিরেই ষে শিল্পকলার চর্চা সুরু করেছিলাম আজ তাই হয়ে দাড়িয়েছে আমার কর্মজীবনের কেন্ত্রসম্বরূপ। আজ সুজিত নেই» ৰিদ্কধ যে দায়িত্ব ছেলেবেলায় আমরা একক্রে গ্রহণ করেছিলাম, নানা পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে নানা অস্থুবিধা সত্তেও তা সম্পাদন করে চলেছি। এই বই রচন৷ নেই সব পরিকল্পিত কাধ্যক্রমের অংশস্বরূপ, তাই স্থুজিতের অভাব আজ বেশী করেই মনে লাগছে আমার সহকর্া হ্বর্গতা৷ সেবা মিত্রকে আজ ন্মরণ করি, ধিনি নিষ্ঠার সঙ্গেই আমাদের আদর্শ প্রচারের কাজে সহায়তা করেছেন এবং রবীন্দ্রনাথ প্রবন্তিত শাস্তিনিকেতনের ধারার নৃত্যকলার প্রচারে জীবনের শেষদিন পধ্যস্ত পরিশ্রম করে গেছেন।

এই বই রচনায় শ্রীপ্রভাত কুমীর মুখোপাধ্যায়ের “ববীন্দ্র-জীবনী* শ্ীণান্তিদেব ঘোষের “রবীন্দ্র-সঙ্গীত', অধ্যাপক ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের “স্থুর সঙ্গতি" এবং শ্রদ্ধেয় ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর প্রবন্ধ “রবীন্দ্র সঙ্গীতের ত্রিবেণী-সঙ্গম” থেকে আমাকে অনেক প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে হয়েছে, তাই আমি তাদের কাছে খণী। শ্রীস্থৃবিনয় রায়,

আহনীলকুমার রায়, শ্রীমতী কিক! বন্দ্যোপাধ্যায় বহুভাবে আমাকে সহায়তা করেছেন। বাগবিল্লেষণ কার্ধ্ে শ্রীহ্বরেশ চন্দ্র চক্রবর্তী আমাকে বিশেষ ভাবে সাহায্য করেছেন। শ্রীোমেন্র নাথ গুপ্তর এঁকাস্তিক আগ্রহেই বইয়ের মুদ্রণ প্রকাশ সম্ভব হয়েছে--এ'দের সকলের কাছেই আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

২৫শে বৈশাখ, ১৩৫৯ ৩৮ বালীগঞ্জ প্রেম, শুভ গহঠাকুরত!

কলিকাতা-১৯

প্রকাশকের বক্তব্য

আঁজ্তকে রবীন্দ্র-সঙ্গীতের চাহিদা বাড়ার মূলে বয়েছে রবীন্দ্রোতর যুগে ববীন্দ্র-কষ্টির প্রতি জনসাধারণের ক্রমঘনিষ্ঠ আগ্রহ। যে সঙ্গীত সম্পদকে, মাত্র এক যুগ আগেও, গাচমিশেলী বাংলা গানের মতো “আধুনিক” বলে লোকে যনে করতো, যার অপরূপ সৌন্দরধ্য বৈচিত্রার রস উপভোগ করবার জন্য জনসাধারণ আগ্রহ নিয়ে সেদিন পর্যন্ত এগিয়ে আসেন নি--সেই গান নিয়ে আজ যে এত মাতামাতি, এট! সখের বিষয় সন্দেহ নেই। বাঙ্গালীর যে রুচি বোধ জাগছে-_ এটাই তার বলিষ্ঠ ইঙ্গিত।

রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীতহ্ষ্টির আদর্শকে বুঝতে হলে, ববীন্দর-সঙ্গীতের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য এবং বিভিন্ন ধারাগত বৈশিষ্ট্য-_ উভয়কেই জান্তে হবে, নয়তো বহুল প্রসারের মধ্যেও রবীন্দ্ু-সঙ্গীত পরিবেশনে অনেক অসঙ্গতি থাকার সম্ভাবনাটাই বড়ো হয়ে দাড়াবে, যার ফলে শিল্পী শ্রোতা উভয়েরই লোকসান হতে পারে প্রচুর

যেসব বিষয় জানবার ব্যাঘাত নান কারণে ববীন্দ্র-সঙ্গীত শিক্ষার্থীদের সামনে এসে সাধারণতঃ উপস্থিত হয়, লেখক, বিশেষ যত্ত্ের লঙ্কে সেইসব বিষয়গুলিকে সহজ সরল ঝিঙ্সেষণ করে-_রবীন্দ্র-সঙ্গীতের সামগ্রিক সত্বাকে একেবারে নতুন দৃষ্টিভঙ্গীতে নিয়ে সঙ্গীতশিল্পী শিক্ষার্থীমহলের সামনে ফুটিয়ে ধরার প্রয়ান পেয়েছেন

লেখকের পরিচয় নিশ্রয়োজন। ববীন্দ্র-সংস্কৃতি জগতে, বয়ঃকনিষ্ঠ হলেও, ইনি স্থপ্রতিষ্ঠিত। শুধু রবীন্দ্-সঙ্গীতের একনি মেবক, শিল্পী বা অধ্যাপক বলেই নয়, একজন কৃতি সংগঠক এবং উৎসাহী কর্ম বলেও এ'র যথেষ্ট খ্যাতি আছে।

0৮০

দক্ষিণী প্রকাশন বিভাগের স্থুরু হোল এই বইটী দিয়ে। ১৯৪৮ সালের শেষ ভাগ থেকে লেখক কর্তৃক এই নামেই যে ধারাবাহিক মাসিক বেতারানুষ্ঠানগুলি পরিবেশিত হয়েছিল, তারই উপর ভিত্তি করে এই বইটী রচিত। নির্দিষ্ট তারিখে প্রকাশ কর! হঠাৎ ঠিক হওয়াতে অত্যন্ত তাড়াতাড়ি করতে হয়েছে সেই কারণে অনভিজ্ঞতাজনিত এবং অন্তান্ত কারণে ভুলক্রটী থেকে যাচ্ছে সেজন্য সকলের কাছে সনির্বন্ধ অনররোধ যে দয় করে শুদ্ধিপত্র অনুযায়ী ভূলগুলি সংশোধন করে যেন বইটী পাঠ করা হয়। ভুলক্রটী সম্বন্ধে ভবিষ্যতে যথাসাধ্য যত্ববান থাকবো-_ এটুকু আশ্বাস দেওয়া যেতে পারে।

এই গ্রন্থ প্রকাশে অনেকে আমায় নান। ভাবে সাহায্য করেছেন। শ্রীদত্যেন্্রনাথ ঘোষ এবং প্রীঅজয় হোম আছ্যপাস্ত প্রুফ. সংশোধনে আমার শ্রম অনেকখানি বাচিয়ে দিয়েছেন, শ্রীসত্যজিৎ রায় বইটির মলাট একে দিয়ে বাহক সৌন্দধ্য বাড়িয়েছেন, শ্রীদিলীপ গুপ্ত সিগনেট, বুকশপে'র তরফ থেকে বইটির পরিবেশনার ভার গ্রহণ করেছেন, প্রীদেব্জ্রনাথ বাগ 'ত্রাঙ্গ-মিশন প্রেসের পক্ষ থেকে অতি অল্পসময়ে, বইখানি ছাপাবার,দার়িত্ব নিয়েছেন-- এদের সকলকে আমার আস্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

পরিশেষে বক্তব্য এই যে, ববীন্দ্র-সঙ্গীতের রলপিপান্থ ছাত্রছাত্রীমহলে, কবিগুরুর গুণগ্রাহীদের এবং সঙ্গীতানুরাগী সর্বসাধারণের কাছে বইখানি সমাদর লাভ করলে আমরা উৎসাহিত হবো ইতি

মে, ১৯৫২ “দক্ষিণী প্রকাশন বিভাগ সোমেজ্জরনাথ গুপ্ত ১৩২, রাসবিহারী এভিনিউ কলিকাতা-২৯

সুচীপত্র

বিষয় পৃষ্টা ভূমিকা ১--৯৫ রবীন্দ্র সঙ্গীতের ক্রমবিকাশ সঙ্গীত-রচনার ৬১ বৎসর ১০ পরিবেশন প্রণালী ৪১ অলঙ্করণ-নীতি ৪৩ উচ্চাবদ-প্রপালী ৪৩ সঠিক শ্বাসগ্রহণ পদ্ধতি ৪৬ কঠস্বরের পবিবর্তন সাধন ৪৭ ছন্দ-বৈচিত্রা ৪৯ গীতিনাট্য-নৃতানাট্য ৬০ রবীন্দ্রনাথ প্রবর্তিত নৃত্যধার! ৬৩ বেদগান ৬৫ অন্তের রচনায় সুর যোজন! ৬৭ বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে সঙ্গীত রচনা ৬৭ বাব্হত তাল তালফেরতা রঃ ছন্দাস্তর স্থবান্তর ৭৯ রূপান্বর্তন ৮১ ব্যবহৃত রাগ-রাগিণী ৮৬

অপ্রচলিত রবীন্দ্র-সঙ্গীত ৯২

৪৩

বিষয় পৃষ্ঠা

রবীন্দ্র-সঙ্গীতের ধারা ৯৬--২১৩ ভা্ুসিংহের পদাবলী ৯৬ নৃতন তালের গান ১৩৬ লোকসঙ্গীত ১*৬ স্বদেশী সঙ্গীত ১১৭ টগ্লা ১২৪ আনুষ্ঠানিক-সঙ্গীত ১২৮ হাস্যরপাত্মক গান ১৩৭ হিন্দি-ভাঙ্গা গৎ-ভাঙ্গা গান ১৪০ রাগসঙ্গীত ১৪৭ খতৃ-সঙ্গীত ১৬১ শিশু-সঙ্গীত ১৭১ কাব্য-সঙ্গীত ১৭৪ প্রেম-সঙ্গীত ১৮৬ ধশ্মসঙ্গীত ১৯৩ উদ্দীপনার গান ১৯৮ বিদেশী স্থরের গান ২০৪ পদ ধামার ২৯৯ পরিশিষ্ট ২১৪--২৫০ ্‌ উল্লিখিত গানের স্থচী ২১৪,

শুদ্ধিপত্র ২৫১

লরবীন্্-সঙ্গীতের থান্না

ভূমিকা

রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত রচনার সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার এই বিরাট ভাগার আবার এত বৈচিত্পূর্ণ যে রবীন্দ্র- সঙ্গীতকে সমগ্রভাবে যথাযথভাবে জান। একরকম ছুঃসাধ্য। এই" সঙ্গীত-ভাগ্ারকে পুঙ্থানুপুঙ্খরূপে বিশ্লেষণ করে দেখা গেল যে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত-স্থষ্টির মধ্যে ১৭টি ধারা প্রবহমান এবং স্বতন্্রভাবে বিভিন্ন ধারানুযায়ী পধ্যালোচনা করলে রবীন্দ্রনাথের সমগ্র সঙ্গীত স্যট্টির ইতিহাসের সহিত পরিচিত হওয়া সম্ভব | রবীন্দ্র-সঙ্গীতকে প্রাথমিকভাবে ছুই ভাগে ভাগ করা যায়--কতগুলি গান আছে যা হলো স্ুরধন্মী আর অন্যগুলি হলো কাব্যধন্্ী। সুরধন্ী রচনায় স্ুরবিন্যাসের আদর্শেই কাব্যাংশকে ব্যবহার করা হয়েছে, আবার কাব্যধ্মী রচনার আদর্শ হলো কাব্যাংশের প্রয়োজনে স্ুরবিন্তাস | রবীন্দ্রসঙ্গীতে প্রবহমান এই সতেরোটি বিভিন্ন ধারার মধ্যে কতকগুলি হলো স্ুরধন্মী--যেমন রাগসঙ্গীত, ধ্ুপদ, লোক- সঙ্গীত ইত্যাদি এবং সেই সব গানকেই এই সব ধারার অন্তর্গত কর! হয়েছে, যাদের মধ্যে স্থপরিচিত বিভিন্ন পধ্যায়ের ভারতীয় সঙ্গীতের স্বাতন্থ্য বৈশিষ্ট্য রক্ষা করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক সঙ্গীত, উদ্দীপনার গান, প্রেমসঙ্গীত, খতুসঙ্গীত, হাস্যরসাত্মবক গান ইত্যাদি যে সব ধারার শ্যপ্টি হয়েছে, তার মধ্যে কাব্যাংশই প্রধানতম এবং কাব্যাংশের আদর্শ রক্ষিত

ববীন্ত্র-সঙ্গীতের ধার!

হয়েছে এই সব ধারার রচনায় এই ভাবে বিশ্লেষণ করা সহজসাধ্য নয়, কেননা কাব্যাংশ সুর-সংযোজনার বিচারে রবীন্নাথের অধিকাংশ গানকেই ছুই পর্য্যায়ভূক্ত করা চলে-_ ঞ্ুপদ জাতীয় রবীন্দ্রনাথের সমগ্র রচনাই কাব্যাংশের বিচারে ধন্মসঙ্গীতের অন্তর্গত, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের ঞ্রুপদাঙ্গ রচনার বৈশিষ্ট্য সংখ্যাধিক্যের জন্য তাদের একটি স্বতন্ত্র ধারার অন্তভুক্ত করা হয়েছে। ধন্মসঙ্গীতের মধ্যে ঞ্ুপদাঙ্গ গান ছাড়াও বহুবিধ রচনা স্থান পেয়েছে, সেই কারণে আদর্শগত মিল থাকলেও এই সব ধরণের রচনার একটা বিশেষ স্বীকৃতির প্রয়োজন আছে। কাব্যধন্্শী রচনার অন্তর্গত খতুসঙ্গীতের অনেক রচনাই রাগসঙ্গীত পধ্যায়ভ্ক্ত হতে পারে। রবীন্দ্র-সঙ্গীতের যে সব ধার৷ কাব্যধন্মী, নানা সুরের রচনা তার মধ্যে স্থান পেয়েছে, কাজেই ভারতীয় সঙ্গীতের স্বপরিচিত কয়েকটি পধ্যায়ের রচনার স্বাতন্ত্য এসব ক্ষেত্রে রক্ষিত হুওয়াই . শ্রেয়।, বাউলের স্থুরের গান অধিকাংশই ধর্মসঙ্গীতের অন্তর্গত কিন্তু ধর্মসঙ্গীতের মধ্যে বহুবিধ সুরের রচন। পাঁওয়া৷ যায়, তাই লোকসঙ্গীতের সুপরিচিত স্ুুরগুলির স্বীকৃতি মধ্যাদা দানের জন্য এগুলিকে স্বতন্ত্র পর্য্যায়ভুক্ত করা যুক্তিসম্মত। কাব্যাংশের বিচারে পধ্যায়ভূক্ত না করে ভারতীয় সঙ্গীতের স্বপরিচিত সুরের গানগুলিকে স্বতন্ত্র পর্যায়তৃক্ত করবার প্রয়োজন অন্যভাবেও আছে, এর পরে সে সম্পর্কে আলোচনা করব

ভূমিকা

রবীন্দ্রনাথের ৬১ বছরের সমগ্র সঙ্গীত স্প্টি পর্্যালোচন৷ করলে আমরা দেখতে পাই যে গঠনবৈচিত্র্যের বিবেচনায় রবীন্দ্র-সঙ্গীতে তিনটি সুস্পষ্ট স্তর বা যুগ প্রবহমান। যদিও রবীন্দ্রনাথের জঙ্গীত-রচনা ১৮৭৭৭৮ সাল থেকেই আরম্ত হয়েছে--আমরা ১৮৮১ সাল থেকে তার রচনা আরম্ত হয়েছে ধরে নেব, কেননা এই সময় থেকেই রবীন্দ্র-সঙ্গীতের একটা ক্রমপধ্যায় কর! সম্ভব, এর পুর্রেকার রচনা বিক্ষিপ্ত এবং সংখ্যায়ও খুব অল্প। ১৮৮১ থেকে ১৯০০ পর্যন্ত সময়কালকে রবীন্দ্র- সঙ্গীতের প্রথম বুগের অন্ততুক্ত করা যায়। এই সময়টা ছিল রবীন্দ্রনাথের শিক্ষানবীশ কাল। সেই সময় ঠাকুর পরিবারে হিন্দুস্থানী সঙ্গীতের চর্চা ছিল খুব বেশী-_এ সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন-_-“বাঙালীর স্বাভাবিক গীতমুগ্ধতা গীতমুখরতা কোনে বাধ ন। পেয়ে আমাদের ঘরে যেন উৎসের মতো উৎসারিত হয়েছিল ছেলেবেলায় যে গান সর্বদা আমার শোনা অভ্যাস ছিল, সে সখের দলের গান নয়, তাই আমার মনে কালোয়াতি গানের একটা ঠাট আপনাআপনি জমে উঠেছিল ।” রবীন্দ্রনাথ বাল্যজীবনে বিষণ চক্রবর্তী, শ্রীকণ্ সিংহ, যছু ভট্ট, রাধিকা গোস্বামী, শ্যামসুন্দর মিশ্র প্রমুখ সে যুগের প্রখ্যাত উচ্চাশ্-সঙ্গীত শিল্পীদের সংসর্গে এসেছিলেন, কাজেই সেই পরিবেশের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ বাল্যজীবনে যে সব গান রচনা করেছিলেন তার অধিকাংশই বিশিষ্ট হিন্দৃস্থানী

রবীক্দ্-সঙ্গীতের ক্রমবিকাশ

ববীন্দ্-সঙ্গীতের ধাবা

গান, পাশ্চাত্য সঙ্গীত, অন্যান্ত প্রাদেশিক সঙ্গীত ইত্যাদির সুর অবলম্বন করে স্থষ্ট হয়েছিল। স্বতন্ত্র স্বাধীন রচন। একেবারে ছিল না কথা বল! যায় না এবং স্বতন্ত্র রচনার সংখ্যাও খুব কম নয়, তবু স্থুরবিন্তাসের আদর্শে এই প্রথম হয়েছিল। তাই রবীন্দ্রনাথের এই প্রথম যুগের রচনার মধ্যে স্ুরবিন্তাসের আদর্শ রক্ষিত হয়েছে, একথা বললে বোধ হয় ভূল করা হবে না।

দ্বিতীয় স্তরে অর্থাৎ মধ্যযুগে ভিন্নরপ এক পরীক্ষা চলেছিল রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত স্থঠিতে ১৯০০-_-১৯২০ সালের অস্তবন্তী সময়কালকে রবীন্দ্র-সঙ্গীতের মধ্যযুগ বলা যায়-এই সময়কালের রচনার মধ্যে রবীন্দ্রনাথ রাগরাগিণীর উপাদানগুলি গ্রহণ করলেন মাত্র অর্থাৎ হিন্দৃস্থানী সঙ্গীতের কেবল কাঠামোটি বজায় রেখে আতিশয্য , অলঙ্কারু-বাহুল্যকে বর্জন করলেন এই মধ্যযুগের রচনার মধ্যে, গানের কাব্যাংশ যেখানে স্মুরকে প্রভাবিত করতে সুরু করেছে। “সঙ্গীতের উৎপত্তি উপযোগিতা” প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ লিখলেন_-“আমাদের দেশের সঙ্গীত শান্ত্রগত, ব্যাকরণগত অনুষ্ঠানগত হইয়! পড়িয়াছে, কেবল কতগুলি সুরসমষ্টির কর্দম এবং রাগরাগিণীর ছ'চ কাঠাম অবশিষ্ট রহিয়াছে, সঙ্গীত একটি মৃত্তিকাময়ী প্রতিম৷ হইয়া পড়িয়াছে। তাহাতে হৃদয় নাই, প্রাণ নাই”।

তৃমিকা

স্থরসংযোজনার ক্ষেত্রে একটা আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় এই মধ্যযুগের রচনার মধ্যে স্ুর-যোজনা নিয়ে পরীক্ষা চলেছিল এই সময়কালের মধ্যে এবং রবীন্দ্- সঙ্গীতের স্থুরের যে নিজন্ব বৈশিষ্ট্য পরবত্তীকালের রচনায় আত্মপ্রকাশ করেছে তার গোড়াপত্তন হয়েছিল এই মধ্যযুগেই। এই মধ্যযুগে রচিত হলো 'দীতাঞ্জলি» 'গীতিমাল্য গীতালি'র অন্তভূক্তি ধন্মসঙ্গীতগুলি, সুরবিন্যাসের আদর্শে যেগুলি প্রথম যুগের ধন্মসঙ্গীত রচনা থেকে স্বতন্ত্র সেগুলি পুর্ধবের নায় স্ুরধন্মী নয়, এদের অধিকাংশই হলো কাব্যের বাহন। কবিতায় যে ছন্দ থাকে গানে তার প্রয়োগ সম্ভব কিনা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ পরীক্ষা করলেন ১৯১৭ সালে রচিত এবং গীত-পঞ্চাশিকা' স্বরলিপি পুস্তকের অন্তহ্ুক্ত “ছুয়ার মোর পথপাশে, “ও দেখা দিয়ে যে চলে গেল” “ব্যাকুল বকুলের ফুলে” এবং “কাপিছে দেহলতা থরথর” গ্রই চারটি গানের মধ্যে কবিতা হিসাবে এই কয়টি রচনা আবৃত্তি করলে যে ছন্দ আসে, গানের মধ্যে সেই ছন্দ রক্ষা করা হয়েছে এবং প্রত্যেকটি গানের প্রতিটি পংক্তি এক একটি তালে সম্পূর্ণ করা হয়েছে এই জব বিভিন্ন পরীক্ষামূলক রচনা পর্যালোচনা! কমলে পরিষ্কারভাবেই বোঝা যায় যে এই মধ্যযুগে রবীন্দ্রনাথ সঙ্গীত রচনার মধ্যে বিজাতীয় প্রভাব কাটিয়ে উঠে নিজস্ব স্থপ্তির স্বাতন্ত্র্য প্রতিষ্ঠিত

ববীন্দ্র-সঙ্গীতের ধারা

করতে চেষ্টিত হয়েছেন। হিন্দুস্থানী গান ভেঙ্গে রবীন্দ্রনাথ যে সব গান রচনা করেছেন তার সময়কাল যদিও ১৯২৫ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত, তবু মধ্যযুগের পরবর্তীকালে এই পর্য্যায়ের রচনা সংখ্যায় অল্প এবং এই সময়কালের অন্যান্য ধারার রচনার উপর এর কোনো প্রভাব নেই। বম্পক, যি, রূপকড়া, নবতাল, একাদশী নবপঞ্চক, এই ছয়টি নৃতন তাল স্থষ্ট হয়েছে এই মধ্যযুগেই, কাজেই একথ প্রমাণিত হয় যে এই সময়কালে রবীন্দ্রনাথ নিজন্ব স্জন-প্রতিভার বিকাশের পথে শাস্ত্রীয় বিধিনিষেধ- গুলিকে মর্যযাদাদান করেন নি এবং প্রয়োজনবোধে অনেক অশাস্ত্রীয় পরীক্ষা সাফল্যের সঙ্গেই করেছেন নিজস্ব স্প্টির প্রেরণায়। তাল ছন্দ সম্পর্কে এই সব অশান্ত্রীয় পরীক্ষার কথা ১৯১৭ সালের “সবুজপত্রে” প্রকাশিত “সঙ্গীতের মুক্তি” প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ বিস্তারিত ভাবেই আলোচনা কর্ুরছেন "এবং আপনার মতামত দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করে বলেছেন--“আমরা শাসন মানব, তাই বলে অত্যাচার মানব না। কেননা যে নিয়ম সত্য সে নিয়ম বাইরের জিনিস নয়, তা বিশ্বের বলেই তা আমার আপনার যে নিয়ম ওস্তাদের তা আমার ভিতরে নেই, বাইরে আছে ম্ুতরাং তাকে অভ্যাস করেবা ভয় করে বা দায়ে পড়ে মানতে হয়। এই রকম মানার দ্বারাই শক্তর বিকাশ বন্ধ হয়ে যায়। আমাদের সঙ্গীতকে এই

ভূমিকা

মানা থেকে মুক্তি দ্রিলে তবেই তার স্বভাবু তার স্বপকে নব নব উল্ভাবনার ভিতর দিয়ে ব্যক্ত করতে থাকবে ।”

১৯২১ থেকে ১৯৪১ সাল পর্্যস্ত পরবর্তী একুশ বছর হল রবীন্দ্র সঙ্গীতের তৃতীয় স্তর অর্থাৎ শেষ যুগ। এই জময়কালের রচনার মধ্যে আমরা পেলাম রবীন্্র- সঙ্গীতের স্বরূপকে, যে সব সঙ্গীত নিজম্ব বৈশিষ্ট্যের দাবীতে নিজন্ব স্বাতন্ত্র্য সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে এই স্তরের রচনায় রবীন্দ্রনাথ মাটির প্রতিমার মধ্যে প্রাণ-স্পন্দন করলেন,_ যে রচনায় ওস্তাদীর চেয়ে অন্ুভূতিই হলো! প্রধান-যে সঙ্গীতে রাগরাগিণী কাব্যরসের হলো গঙ্গা-যমুনা সঙ্গম। এই শেষের দিকের গান সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন-__ “পরিণত বয়সের গান ভাব বাংলাবার জন্য নয়, রূপ দেবার জন্য, তৎসংশ্লিষ্ঠ কাব্যগুলিও অধিকাংশ রূপের বাহন:-**-* আনাদের সঙ্গীত জিনিসটাই ভূমাৰ স্ুর-_-তার বৈরাগ্য, তার শাস্তি, তার গম্ভীরতা সমস্ত সংকীর্ণ উত্তেজনাকে নষ্ট করে দেবার জন্যই 1*-..."গান রচনায় আমি কি করেছি, কোন পথে গেছি, গানের তত্ববিচারে তার দৃষ্টান্ত ব্যবহার করা অনাবশ্যক আমার চিত্তক্ষেত্রে বসন্তের হাওয়ায় শ্রাবণের জলধারায় মেঠো ফুল “ফাটে বড়ে! বড়ো বাগানওয়ালাদের কীন্তির সঙ্গে তার তুলনা কোরো না।” রবীন্দ্র-সঙ্গীতের এই তৃতীয় স্তরের সঙ্গীত-রচনা পরীক্ষা করলে দেখা যায়ষে'

ববীক্-সঙ্গীতের ধারা

সেগুলি বিজাতীয় সঙ্গীতের প্রভাবমুক্ত। ১৯২৫ সালের পাঁচটি- হিন্দি-ভাঙ্গী রচনা এবং ১৯৩১ সালে রচিত কয়েকটি দক্ষিণী সুরের গান ছাড়া আলোচ্য সময়কালের রচনার মধ্যে অন্যান্য সঙ্গীতের সুর নিয়ে রচনা আর পাওয়া যায়না এই সময় আমরা পেলাম খুব সহজ সুর আর সিধে তালের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন রাগমিশ্রণের প্রয়াস। পরিণত বয়সে, নান! পরীক্ষা অভিজ্ঞতার শেষে, ষে সব সঙ্গীত রবীন্দ্রনাথ স্ঠি করলেন এই তৃতীয় স্তরের অস্তবন্তী সময়কালে, তাই হলো প্রকৃত বৈশিষ্ট্যসম্মত রবীন্দ্র-সঙ্গীত। নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে বৈচিত্র্য পরিপূর্ণ এই সব গানই ভারতীয় সঙ্গীতের ইতিহাসে রবীন্দ্র নাথের দান। রবীন্দ্র-সঙ্গীতের এই তৃতীয় স্তরে আর একটি নৃতন অধ্যায় স্ুচিত হয়েছে, যেরূপ প্রচেগ্ঠীর পরিচয় বাংলা সঙ্গীতের ইতিহাসে. ইতিপুব্বে আর পাওয়। যায়নি, তা হলো বিভিন্ন নৃত্যনাট্যের মধ্য দিয়ে নৃত্য সঙ্গীতের সমন্বয় সাধন গীতিনাট্য রবীন্দ্রনাথ বাল্যকাল থেকেই রচনা করে এসেছেন এবং রবীন্দ্রনাথের পুব্বেও কয়েকটি গীতিকার গীতিনাট্য রচনা করেছিলেন। কিন্তু সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে একটি গল্পাংশকে পরিবেশন করে নৃত্যের মাধ্যমে তার যে ব্যঞ্জনা প্রস্ফুটিত হয়েছে রবীন্দ্রনাথের “চিত্রাঙ্গদা, “ণ্ডালিকা” শ্ঠামা' নৃত্যনাট্যের মধ্যে, বাস্সা সঙ্গীতের ক্ষেত্রে এরূপ প্রচেষ্টা অভূতপুব্ব অভিনব। 'বাল্সিকী-প্রতিভা' “কালমুগয়া” “মায়ার খেলা” ইত্যাদি কয়েকটি গীতিনাট্যে নৃত্যের ব্যবহার কর! হয়েছে, তবে

ভূমিকা

সঙ্গীতাংশেরই প্রয়োজনে, আর নৃত্যনাট্যের মধ্যে নৃত্যের ছন্দকে রূপায়িত করাই হল সঙ্গীতের ধন্ম নৃত্যনাট্য গীতিনাট্য সম্পর্কে স্বতস্ভাবে আলোচনা স্থানাস্তরে করা হয়েছে কাজেই এখানে এই জম্পর্কে অধিক সমালোচনা নিশ্রুয়োজন ধণ্ম-সঙ্গীত, প্রেম-সঙ্গীত, খতু-সঙগীত, লোক-সঙ্গীত ইত্যাদি কয়েকটি ধারার রচনাকাল রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত-রচনার একেবারে আদি যুগ থেকে শেষ সময় পধ্যস্ত বিস্তৃত। এই সব ধারার রচনার মধ্যে ধন্মসঙ্গীত, প্রেম সঙ্গীত, খতু সঙ্গীত ইত্যাদি কাব্যধন্ণ রচনার মধ্যে আমরা নানাবিধ স্থুর-যোঁজনার মিশ্রণ দেখতে পাই। পুর্ববোল্লিখিত তিনটি যুগে এই সব পধ্যায়ভুক্ত রচনার স্ুর- বিন্তাসের আদর্শ ভিন্ন তর-_এর মধ্যে একটি ধারার রচনা সম্পর্কে আলোচনা করলে বিষয়টি আরো পরিক্ষার হবে। রবীন্দ্রনাথের ধর্মসঙ্গীত রচনা আমর! তিনটি স্তরের মধ্যেই পাই, অথচ দেখা যায় যে এই ধারার গানের স্বুরবিন্যাসের আদর্শ তিনটি যুগেই স্বতন্ত্র অনেক ক্ষেত্রেই বিপরীত পন্থী। প্রথম যুগের ধর্মসঙ্গীত রচনার অধিকাঁংশই রাগসম্মত এবং তাললয়ের বিচারেও সেগুলি প্রকৃত উচ্চাঙ্গ-সঙ্গীত পধ্যায়ের আর মে সময় পাওয়া গেল পশ্চাত্য স্থুর বিভিন্ন প্রাদেশিক স্থরের ধণ্মসঙ্গীতগুলি, যেগুলির স্থুর দেওয়া হয়েছিল সে যুগের সঙ্গীতিক আবহাওয়ার উপযুক্ত করে। মধ্যযুগের অন্তবর্তী গীতাঞ্জলি, 'গীতিমাল্য,

১৩ রবীন্র-সঙ্গীতের ধার!

গীতালি'র গানে এবং স্বতন্ত্র ধর্ম-সঙ্গীত রচনার মধ্যে যে স্ুর-যোজনার আদর্শের পরিচয় পাই তার মধ্যে রাগরাগিণীর অস্তিহ খুঁজে পেতে অসুবিধা হয়না, কিন্ত সেগুলি উচ্চাঙ্গ-সঙ্গীত নয়। শেষ যুগের যে সক ধন্মসঙ্গীত পাওয়! যায় তার মধ্যে শাস্ত্রগত বিধানের কোনো স্বীকৃতিই নেই, এবং রাগরাগিণীর স্বাতন্ত্র রক্ষিত্ত হয়নি। বহু রাগরাগিণীর সংমিশ্রণে, সহজ সুর তালের সাহায্যে স্ুর-সংযোজনাই হলো: এই যুগের সঙ্গীত-স্ষ্টির আদর্শ। কাব্যধন্মী অন্যান্য ধারার মধ্যেও আমরা এই তিনটি স্তরের ভিন্নতর গঠনবৈচিত্র্যের পরিচয় পাই রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত রচনায় বিভিন্ন যুগোপযোগী পরিবেশ রুচির প্রয়োজনে যে আঙ্গিক পরিবর্তনের পরিচয় পাই, বিস্তুতভাবে ধারাবাহিক ভাবে আলোচন। করলে সে সম্পর্কে সঠিক বিশ্লেষণ করা সম্ভব। পুর্ব্রেই বলা হয়েছে যে ১৮৮১ সালের পুরে রচিত কয়েকটি রবীন্দ্র- সঙ্গীত পাওয়। গেলেও, এই বছর থেকে ১৯৪১ সাল পরধ্যন্ত রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত- রচনার ধারাবাহিক আলোচনা সম্ভবপর এর পরে প্রতি বছরের সঙ্গীত-রচনা পর্যালোচনা করে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত-রচনার ইতিহাস সম্পর্কে আলোচন। করব। রবীন্দ্রনাথের প্রায় আড়াই হাজার সঙ্গীত-রচনাকে সমগ্রভাবে উল্লেখ করা সম্ভবপর নয় এবং অনেক

সঙ্গীত-রচনার ৬১ বছর

ভূমিকা ১১

গানের রচনাকালও জান! যায় না, কাজেই প্রতি বছরের বিশিষ্ট নির্বাচিত কয়েকটি গানের যে তালিকা দেওয়৷ হল তা আদর্শগত ভিত্তিতে প্রতিনিধিত্ব দাবী করতে পারে

১৮৮১ সালের পুর্ব্বেকার রচনা- রবীন্দ্রনাথের সর্বপ্রথম সঙ্গত রচনা সম্পর্কে মতভেদ বিদ্যমান, তবে নিয়লোক্ত গান কয়টি তার প্রাচীনতম রচনার অস্তর্গত-_

১। তোমারেই করিয়াছি জীবনের ঞ্রবতার!

২। নীরব রজনী দেখ

৩। খুলে &ে উরণী

৪। জ্বল জল চিতা

উপরোক্ত গান কয়টি ছাড়াও “হিন্দ্রমেলা”র যুগে অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথের ১৩১৪ বছর বয়সের সময় রচিত হয়েছিল এই তিনটি গান__

১। তোমারি তরে মা পপিভ দেহ

২। একি অন্ধকার ভারত ভঙ্ি

৩। একস্ত্রে বাধা আছি ১৮৭৮ সালে পাওয়া গেল-__

১। আধার শাখা উজল করি

২। শুন নলিনী খোল গো আখি

৩। বলি আমার গোলাপ বালা,__ইত্যাদি গানগুলি। ১৫।১৬ বছর বয়সে অর্থাৎ ১৮৭৬।৭৭ সালে বিদ্যাপতির “ভরা বাদর মাহ ভাদর” এই গানটিতে রবীন্দ্রনাথ সুর দিয়েছিলেন

১২ রবীন্দ্র-সঙ্গীতের ধার

কথা জান! যায়। ১৮৭৭ সাল থেকেই “ভানুসিংহের পদাবলী”'র গান রচিত হয়েছিল বলে জানা যায়, কিন্তু এই পর্যায়ভুক্ত গানে সুর দেওয়া হয়েছিল পরবর্তী কালে

১৮৮১-__এই বছর বাল্সিকী প্রতিভা”র অন্তর্গত গানগুলি রচিত হয়

১৮৮২-_এই বছর রচিত হলো! “কাঁল-সৃগয়।” গীতিনাট্য এই নাটকটির অধিকাংশ রবীন্দ্রনাথ পরে “বাল্সিকী প্রতিভা”র সঙ্গে মিশাইয়াছিলেন সেইজন্য এই নাটকের অনেক গানই এখন “বাল্সিকী-প্রতিভা”য় স্থান পেয়েছে। এই বছরের স্বতন্ত্র রচনার মধ্যে “ছুজনে দেখা হল” গানটি উল্লেখযোগ্য |

১৮৮৩--এই বছর যে গানগুলি রচিত হলো? তার মধ্যে নিম্নোক্ত গান কয়টি উল্লেখযোগ্য-_ ১। সারা বরষ দেখিনে মা (স্বদেশী ) ২। মনে রয়ে'গেল মনে কথা ( পপ্রম-সঙ্গীত ) ৩। তেদেগোনন্দরাণী (শিশু-সঙ্গীত )

১৮৮৪ __রবীন্দ্রনাথের এই বছরের রচনার মধ্যে এই কয়টি গানের উল্লেখ করা যায়-_

১। আমার প্রাণের পরে চলে গেল ( প্রেম-সঙ্গীত ) ২। বুঝি বেলা বয়ে ধার ৩। মরি লো মরি আমায় ৪। বনে এমন ফুল ফুটেছে

চে

ভূমিকা ১৩

১৮৮৫ এই বছরের রচনার সঠিক বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায় না, তবে শোনা যায় যে ১৮৭৫ সালের “ফুলবালা”র অন্তর্গত “গোলাপ ফুল ফুটিয়ে আছে” কবিতাটিতে রবীন্দ্রনাথ এই বছর সুর দিয়েছিলেন। এই বছরের শেষভাগে বঙ্কিমচন্দ্রের “বন্রেমাতরম” কবিতায় সুর দেন রবীন্দ্রনাথ স্বতন্ত্র রচনার মধ্যে এই গানটি উল্লেখযোগ্য

একবার তোর! মা বলিয়া ডাক (স্বদেশী )

১৮৮৬- এই বছর সব্বপ্রথম পাঁওয়৷ গেল হিন্দুস্থানী গানের স্থর নিয়ে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত রচনা বছরের রচনার মধ্যে নিয়নলিখিত গান কয়টির উল্লেখ কর যায়-_

১। প্রভাতে বিমল আনন্দে ( হিন্রি-ভাঙ্গ। )

২। সত্যামঙ্গল প্রেমময় তুমি |

৩। কখন বসন্ত গেল ( প্রেম-সঙ্গীত )

৪। নয়ন তোমারে পায়না দেখিতে ( ধর্ম-সঙ্গীত )

৫। ওগো শোন কে বাজায় (প্রেমখসঙ্গীত )

৬। আমরা মিলেছি আজ মায়ের ডাকে ( স্বদেশী ) ৭। ওগো কে যায় কাশরী বাজায়ে (প্রেম-সঙ্গীত ) ৮। আগে চল, আগে চল (স্বদেশী)

৯। তবু পারিনে সপিতে প্রাণ (স্বদেশী )

১৮৮৭--এই বছরে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত-রচনার মধ্যে নিম্নলিখিত গান কয়টি উল্লেখযোগ্য-_

১। আবার মোরে পাগল করে ( ধন্ম-সঙ্গীত )

১৪ .. ববীন্দর-সঙ্গীতের ধারা ২। তুমি আপনি জাগাও মোরে (ধর্ম-সঙ্গীত ) ৩। তোমারি ইচ্ছা হউক পূর্ণ রর ৪। নাথ হে প্রেমপথে & ৫€| তবুমনে রেখ (প্রেম-সঙ্গীত )

১৮৮৮--এই বছরের বিশিষ্ট রচনা হলো “মায়ার-খেলা”র অস্তভূক্ত গানগুলি। স্বতন্ত্ররচনার মধ্যে নিয়লিখিত গান্টি উল্লেখযোগ্য-_

দাড়াও আমার আখির আগে (ধর্ম-সঙ্গীত )

১৮৮৯-_-যদিও “একবার তোরা মা বলিয়া ডাক” এবং “আমরা মিলেছি আজ” এই ছুটি লোকসঙ্জীতের স্থরের গান আমরা ইতিপুব্রবে পেয়েছি, তবু প্রকৃত বাউল স্থরের রচনা পাওয়া গেল এই বছর “বিসঙ্জনের” একটি গানে “রাজা রাণী”র অন্তর্গত গানগুলিও বছরের রচনা এই বছরের কয়েকটি রচনা-- .১। আমারে কে নিবি ভাই (বাউল)

২। এরা] পরকে আপন করে (প্রেম-সঙ্গীত )

৩। সখী, বুঝি বাশী বাজে (প্রেম-সঙ্গীত )

১৮৯০__এই বছরে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত-রচনার কোনো বিস্তৃত বিবরণ পাঁওয়। যায় না। এই বছরের প্রথম ভাগ অতিবাহিত হলো কবিতা রচনায়, আর মধ্য ভাগে তিনি বিদেশ যাত্রা! করলেন।

ভূমিকা ১৫

১৮৯১-_এই বছর রবীন্দ্রনাথের বস্তুতঃ সাহিত্য-সাধনায় কেটে যায়, সঙ্গীত-রচনার কোনে। প্রামাণ্য বিবরণ পাওয়। যায় না। ১৮৯২-__এই বছরের রচনার মধ্যে নিয়লিখিত গানগুলি অন্যতম-_ ১। আনন্ধ্বনি জাগাও গগনে (স্বদেশী ) »্ণা , তোমরা হাসিয়া বহিয়া (প্রেম-সঙ্গীত ) | খাঁচার পাথী ছিল (কাব্য-সঙ্গীত ) ৪। যার অনুষ্টে যেমনি জোটে ( প্রেম-সঙ্গীত )

১৮৯৩--এই বছরের রচনার মধ্যে নিয়়োক্ত গান দুইটি উল্লেখযোগ্য-_

১১। আজি যেরজনী যায় (প্রেম-সঙ্গীত )

২। যদ্দিজোটে রোজ (হাম্তরসাত্মক )

১৮৯৪_-১৮৯১ থেকে ১৮৯৫ সাল পর্য্যস্ত রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত-রচনা সংখ্যায় খুবই অল্প। বিভিন্ন তথ্যাদি থেকে জান! যায় যে এই পাঁচ বছর তার প্রধানতঃ কেটেছিল সাহিত্য-রচনায়। এই বছরের একটি বিশিষ্ট রচনা হলো-_

১। আমার পরাণ লয়ে কি খেলা ( ধন্ম-সঙ্গীত )

১৮৯৫-_নিয়োক্ত ছ্‌টী গান এই বছরের রচনা__

১। বাজিল কাহার বীণা (ধন্ম-সঙজীত ) ২। বড় বিশ্বময় লাগে ( ধশ্ম-সঙ্গীত )

রূবীন্দ্র-সঙ্গীতের ধার!

১৮৯৬- বহুবিধ বৈচিত্র্যপুর্ণ রচনার সমাবেশ' দেখতে পাওয়া যায় এই বছরে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত রচনায় হিন্ি- ভাঙ্গা মহীশৃরী ভজনের স্থুরের বহুসংখ্যক রচনা পাওয়া যায় এই বছরে স্বতন্ত্র সঙ্গীত রচনার সংখ্যাও যথেষ্ট। এই বছরে রচিত কয়েকটি গান__

“5 | | ৩। | 1 ৬। | |

|

আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে (মহীশূরী স্থর )

একি লাবণ্য পূর্ণ প্রাণ % চির বন্ধু চির নির্ভয় হৃদয় নন্দন বনে '+*, ঙ্গ|_বাগসঙ্গীত )

আনন্দ ধার। বহিছে ভুবনে ( হিন্দিভাঙ্গী__রাগসঙ্গীত ) পরবাসে রবে কে ( হিন্দিভাঙা- উটগ্সা )

আজি বহিছে বসন্ত পবন ( হিন্দিভাঙ্গা_-ঞ্পদ )

ওহে জীবন বল্পভ ( আখরযুক্ত-_কীর্তন )

এস হে গৃহ দেবতা ( আন্গষ্টানিক )

৯৮৪৭ অন্ধজনে দেহ আলো (ধর্ম সঙ্গীত) ১১. কেন বাজাও কাকন (প্রেম-সঙ্গীত )

১৮৯৭__এই বছরের রচনার মধ্যে নিয়়লিখিত গান কয়টি উল্লেখযোগ্য-_

১। | ৮। ৪1

স্থুধা সাগর তীরে (হিন্দিভাঙ্গা_ ধামার )

বেঁধেছ প্রেমের পাশে ( ধন্ম-সঙ্গীত ) অয়ি ভুবনমনোমোহিনী (স্বদেশী ) স্থথে থেকো আর ( আনুষ্ঠানিক বিবাহ )

ভূমিকা ১৭ সখি প্রতিদিন চায় (প্রেম-সঙ্গীত ) 1 আমি কেবলি শ্বপন ৭। তুমি সন্ধ্যার মেঘমাল! ১৮৯৮- রবীন্দ্রনাথের এই বছরের সঙ্গীত রচনা খুবই.কম। এই বছরের একটি রচনার উল্লেখ করা যায়__ হেরিয়া শ্যামল ঘন ( প্রেম-সঙ্গীত ) ১৮৯৯-_এই বছরের রচনার সংখ্যাও খুবই কম। এই বছরের রচনার মধ্যে নিম্নলিখিত গান দুইটি উল্লেখযোগ্য-_ ১। ভয় হুতে ভব (পধ্রুপদ) ২। জানি হে যবে প্রভাত হবে ( ধশ্ম-সঙ্গীত )

১৯০০-_এই বছরের রচনার মধ্যে কয়েকটি ধন্মসঙগীত পাওয়। যায়

৯১1 তোমার পতাকা যারে দাও ( ধর্ম-সঙ্গীত ) ২1) তোমারি বাগিণী জীবনকুপ্রে ৩। যদি আমার হৃদয় ছুয়ার

১৯০৬১-_এই বছরের রচনার মধ্যে রাগসম্মত ধন্মসহীত বচনাই প্রধান। নিম্নোক্ত গানগুলি বছরের রচনা-_

১। মোরা সত্যের পরে মন্‌ ( ধ্ম-স্জীত )

২। প্রতিদিন আমি হে ল্ীবনম্ব মী

”৩। অল্প লইয়! থাকি

৪। জীবনে আমার যত আনন্দ

৫€। সকল গর্ব দূর করি দিব (গ্রুপ)

৯?

১৮ রবীন্দু"সঙ্গীতের ধারা

১৯০২-_এই বছরের রচনাও কেবলমাত্র ধর্ন্মসঙ্গীত পধ্যায়ভূক্ত। তার মধ্যে নিয়লিখিত গানগুলি উল্লেখযোগ্য__

১। মোরে ডাকি লয়ে যাও ( ধশ্ম-সঙ্গীত )

২। বল দাও মোরে হল দাও রর

৩। সফল করহে প্রভু সঃ

৪। আমি কী বলে করিব নিব্দেন ( রাগ-সঙ্গীত )

১৯০৩-_এই বছরে রচনার মধ্যে পাওয়। যায় হিন্দিভাঙ্গা গ্ুপদ, খেয়াল টগ্পা পর্যায়ের গান। রবীন্দ্রনাথ যে ছয়টি নৃতন তাল স্থপ্টি করেছেন, তার কয়েকটি তালের সঙ্গীত রচন। সর্বপ্রথম পাওয়া গেল এই বছরে উপরোক্ত পর্ধ্যায়ের গান ছাড়াও ব্বতন্্ রচনার মধ্যে ধর্মসঙগীত, লোক-সঙ্গীত . স্বদেশী-সঙ্গীত পধ্যায়ভূক্ত গান পাওয়া যায়+--

১। বাজাও তুমি কবি (হিন্দিভাঙ্গা--ঞপদ )

২। বাণী তবধায় অনন্ত রর টু

ও। নুন্দর বহে আনন্দ -

৪। পান্থ এনে কেন ( হিন্দিভাঙ্গা- খেয়াল )

& | বিমল আনন্দে জাগোরে রি

সদ্দিরে মম কে

৭। কে বসিলে আজি (হিন্দিভাঙ্গা-_-টগ্া।)

৮। হৃদয় বাসন! পূর্ণ হলো ॥»

ভূমিকা ১৯

৯। ম্ুখহীন নিশিদিন (হিন্দি তেলেনার হরে ) ১*। গভীর রজনী নামিল (নৃতন তালের গান-_রূপকৃড়1 ) ৯১। নিবিড় ঘন আধারে (নৃতন তালের গান_নবতাল ) ১২। দুয়ারে দাও মোরে (নূতন তালের গান-_-একাদশী ) ১৩। আনন্দ তুমি স্বামী (রাগ-সঙ্গীত ) ২৪। ডাকো মোরে আঙ্ি নিশীথে (রাগ-সঙ্গীত ) ১৫। জননীর দ্বারে আজি (স্বদেশী ) ১৬। আমার প্রাণের মানুষ (লোক-সঙ্গীত )

১৯০৪-_-এই বছরের রচনার মধ্যে নিয়লিখিত ছইটি গান উল্লেখযোগ্য---

১1 আমি চঞ্চল হে (প্রেম-সঙ্গীত ) ২। মহাবিশ্বে মহাকাশে ( ধন্ম-সঙ্গীত )

১৯০৫-_স্বদেশী-সঙ্গীতই হলো! এই বছরের রবীন্দ্রনাথের

'একমাত্র উল্লেখযোগ্য রচনা বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন নিয়ে এবছর ষে স্বাদেশিকতার বন্যা এসেছিল তার মধ্যে রচিত হলো--.

% | এবার তোর মর! গাঙ্গে ( স্বদেশী )

২। যদি তোর ডাক শুনে কেউ

৩।1। আজ বাঙলা দেশের হৃদয় হতে

181 আজ তুই পরের বারে

| ছি ছি চোখের জলে

৬। যে তোমায় ছাড়ে ছাড়,ক

গ্ঠ

২. রবীন্দ্র-সঙ্গীতেষ ধারা &। যে ভোরে পাগল বলে ( শ্বদেশী ) রি | গুরে তোরা! নেই বা কথা বল্লি 5 | যদি তোর ভাবন! থাকে 59 ৯৬ | আপনি অবশ হলি 29 ১১। বাংলার মাটি বাংলার জল ১২। ওদের বাধন ষতই শক্ত হবে রি ১৩ বিধির বাধন কাটবে তুমি 55 ১৪। জোনাকি, কি স্থখে (কাব্য-সঙ্গীত ) ১৯০৬ এই বছরে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত রচনা অপেক্ষাকৃত কম, তার মধ্যে এই ছুইটি গান উল্লেখযোগ্য-_ ১। আমি বনু বাসনায় প্রাণপণে চাই (ধশ্ব-সঙ্গীত ) ২। কত অজানারে জানাইলে তুমি ১৯০৭-_এই বছরে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত রচনার মধ্যে নিমুলিখিত গান কয়টি উল্লেখযোগ্য-_

২। ঙ। রি |

তব সিংহাসনের আসন হতে ( ধর্ম-সঙ্গীত ) তুমি নব নব রূপে এস প্রাণে

আমার মাথা নত করে দাও রি বিপদে মোরে রক্ষা করো অন্তর মম বিকশিত করো রি

আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে (খতু-সঙ্গীত-_বসস্ত ) আমার নয়ন ভুলানো এলে ( খতু-সন্বীত---শরৎ

রর ক, নত 5৮ পপি আত নত, এ, চে)

| 4৫৩74

ভূমিকা

১৯০৮-_বহুসংখ্যক এবং বন্ছবিধ রচন৷ পাওয়া যায় এই

বছরে। হিন্দিভাঙ্গা পর্যায়ের বু রচন! ছাড়াও, খাতু-সঙ্গীত,

হযদেশী-সঙ্গীত, ধর্মসঙ্গীত এবং অন্যান্ত পর্যায়ের বু গান

রচিত হয়েছে এই বছরে। তার মধ্যে নিম্নোক্ত গানগুলি

উল্লেখযোগ্য-__শারদোৎসব' গীতিনাট্যের অস্তভূক্ত বহু গানও এই বছরের রচনা

.৯। আখি জল মুছাইলে জননী ( হিন্দিভালা-_-খেয়াল ) ২। চরণ ধ্বনি শুনি তব নাথ র্‌ 8 ও। গ্রচণ্ড গঞ্জনে আদিল % | ভারতে রাখ ( হিন্দিভাঙ্গা_-ফপদ ) বীণা বাজাও হে (হিন্দিভাঙ্গাঁ_ধামার ) '৬। আজ ধানের ক্ষেতে ( খতৃ-সঙ্গীত-_শরৎ ) ৭। আনন্দেরি সাগর হতে ( উদ্দীপনার গান ) ৮। তোমার সোনার থালায় ( ধর্ম-সঙ্থীত ) ৯। আজি ঝড়ের রাতে এটি

১০। আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ (খতু-সঙ্গীত-_শরৎ )

১১। মেঘের পরে মেঘ জমেছে ( খতু-সঙ্গীত-_বর্ষা )

৯২। যে তরণীখানি ভাসালে ( আহুষ্ঠানিক-__বিবাহ্‌ )

১৩। বাজে বাজে রম্য বীণা (পাঞ্জাবী ভজনের হুর )

১৪। জননী তোমার করুণ চরণথানি (নৃতন তালের গান-

নবপঞ্চক ) ১৫। আমার দেশের মাটি (ম্বদেশী) ১৬। আমরা পথে পথে ধাব

৮১

রবীন্দ্র-সঙ্গীতের কলার!

১৯০৯-_এই বছরে বিভিন্ন পর্ধ্যায়তূক্ত বহু রচনা ছাড়াও পাওয়। যায় “প্রায়শ্চিত্ত” নাটকের অন্তর্গত বহু গান। নিম্নলিখিত গানগুলি এই বছরের রচনার অস্তভূ ্ত-_

৮১ |

রূপ সাগরে ডুব দিয়েছি ( ধর্শ-সঙ্গীত )

২) তুমি কেমন করে গান করো »

8 হা নি | ৯৩ | ১১

১২।

আমার মিলন লাগি তুমি &

এই ষে তোমার প্রেম ওগো ১,

একটি নমন্ধারে প্রভু

আজি এই গন্ধবিধুর সীরণে »,

আসন তলের মাটির পরে ( লোক-সঙ্গীত-_কীর্ভন ) প্রভু আজি তোমার দক্ষিণ হাত » রঃ শরতে আজ কোন অতিথি ( খতু-সঙ্গীত-_-শরৎ ) আজ প্রথম ফুলের রী

আজি শ্রাবণ ঘন গহন মোহে ( খতু-সঙ্গীত-_বর্ষা ) আজ বারি ঝরে ঝরঝর রী

, ৯৯১০-_বিভিন্ন পর্ধ্যাযিতৃক্ত বহু বিশিষ্ট রচনা এই বছরে পাওয়। যায়। “রাজা” নাটকের অস্ততুক্ত গানগুলিও বছরের রচনা বছরের অন্যান্য রচনার মধ্যে নিম্নোক্ত গানগুলি অন্যতম-_

১। বিশ যখন নিদ্রামগন ( ধন্ম-সঙ্গীত )

'২। জ্তবার আলো আলাতে চাই রঃ

৩। যেথায় থাকে পবার অধম 29 ৪। নীমার মাঝে অসীম তুমি

ভূমিকা হও

| এবার নীরব করে দাও হে ( ধশ্ম-সঙ্গীত )

৬। জীবন যখন শুকায়ে যায়

৭। আমারে ঘি জাগালে আজি (নূতন তালের গান-_বাম্পক ) বসন্তে কি শুধু কেবল ( খতু-সঙ্গীত-_বসম্ত )

৯। আজি দখিন দুয়ার খোলা রর

/* | বিরহ মধুর হল আজি (প্রেম-সঙ্গীত )

১১। আমি রূপে তোমায় ভুলাব না », ১২।| রে তরী দিলখুলে (নৃতন তালের গান-_রূপকৃড়া ) ১৩। কোন আলোতে প্রাণের প্রদীপ ( লোক-সঙ্গীত-_-কীর্তন ) ১৪। তেমোর চিত্ত (স্বদেশী ) | ১৫। আবার এসেছে আযাঢ় (খতু-সঙ্গীত- বর্ধা ) ১৬। নদী পারের এই আধাটের ১৭। আজি কমলমুকুলদল খুলিল ( হিন্দিতাজা-_খের়াল ) ৯৮। ডাকেবারবার ডাকে 9 ১৯। রাখো রাখোরে জীবনে

১৯১৬১__এই বছরের বিশিষ্ট রুচনার মধ্যে “অচলায়তন” নাটকের অন্তর্ভ.ক্ত গানগুলি উল্লেখযোগ্য আমাদের জাতীয় সঙ্গীত “জনগণমন” এই বছর মাঘোৎসবের জন্য রচিন্ত হয়েছিল। এই বছরের কয়েকটি গান__

১। যিনি সকল কাজের কাজী ( উন্দীপনার গান )

২। সকল জনম ভরে (ধন্দম-সঙীত )

৩। আমরা চাষ করি আনন্দে ( আহুষ্ঠানিক-হলকর্ষণ ) ৪1 আগে। আমার আলে। ওগেো। ( ধর্শ-সঙ্গীত )

১০ ষ। প। | রি

১৯৩

উতল ধার! বাদল ঝরে (খতু-সঙ্গীত ) |

সব কাজে হাত লাগাই মোরা (উদ্দীপনার গান -সঙ্গীত )

ঘরেতে ভ্রমর এলে! (প্রেম

তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে ( ধর্শ-সজীত )

অকুলের কুল ( ধন্ম-সঙ্গীত )

জনগণমন অধিনায়ক (ম্বদেশী)

১৯১২-_এই বছর থেকে ১৯১৪ সাল পর্য্যস্ত সর সঙ্গীত রচনার অধিকাংশই “ীতিমাল্যে'র অন্তর্ভক্ত গান এই বছরের কয়েকটি বিশিষ্ট রচনা-_

| ৩। 5 | | ৮৯1

তুমি একটু কেবল বদতে দিও ( প্রেম-নঙ্গীত ) পেয়েছি ছুটি বিদায় দেহ ভাই ( ধর্ম-সঙ্গীত ) প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে আজিকে এই সকাল বেল।তে প্র

এমনি করে" ঘুরিব

এবার তোরা আমার যাবার বেলাতে »

ঝড়ে যায়'উড়ে যায় গো (প্রেম-সঙ্গীত )

সময় কারে! যে নাই (ধশ্ম-সঙ্গীত )

১৯১৩-_গীতিমাল্যের অন্তর্ক্ত বহু রচনা ছাড়াও রর হিন্দিভাঙ্গা পর্যায়ের বন্থু বিশিষ্ট গান পাও বছর যায় বছরের কয়েকটি গান-_

১।

|

যি প্রেম দিলেন! প্রাণে ( ধর্ম-সঙ্গীত ) যেরাতে মোর দুয়ার গুলি

“৪ | | | | ১৩। ৯১। ১২| ১৩।

ভূষিক? ১০

যদি জানতেম আমাব্ কিসের ব্যথা ( ধশ্ম-সঙ্গীত ) আমার সকল কাটা ধন্য করে

অনীম ধনতো আছে

আমাদের যাত্রা হলো শুরু

আমাদের শগ্তিনিকেতন (জাহষ্ঠানিক ) কার মিলন চাঁও বিরহী ( হিন্দিভাঙ্গা-_ খেয়াল ) জয় তব বিচিত্র আনন্দ টা রী

জাগ জাগরে জাগ সঙ্গীত % তিমিরময় নিবিড় নিশ! রর প্রথম আদি তব শক্তি (হিন্দিভাঙ্গা- পদ ) জাগে নাথ জ্যোত্ম্ত্রা বাতে ( হিন্দিভাঙ্গা ধামার )

১৯১৪- বছরের প্রথমদিকের রচনাগুলি গীতিমাল্যের অস্ততুক্ত। ঠিক তার পরেই এই বছরে রচিত হলে! “গীতালি'র ১০৮টি গান, বাংল। ১৩২১ সালের শ্রাবণ থেকে ৩রা কান্তিকের মধ্যে, অর্থাৎ তিন মাসের মধ্যে। এই বছরের কয়েকটি বিশিষ্ট রচনা__

১। "২ | ৩। | | শি

তুমি যে সবরের আগুন লাগিয়ে দিলে ( ধর্শ-সঙ্গীত ) আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে রর

এই লভিন্থ সঙ্গ তব মোর সন্ধ্যায় তুমি

এই তো! তোমার আলোক ধেহু % তার অস্ত নাই গো আগুণের পরশমণি ছোয়াও প্রাণে %

৮। | ৯৩ | ১১ | ৯২ ১৩।

রবীন্ত্র-সঙ্গীতের ধারা

মেঘ বলেছে ধাব যাব ( ধশ্ম-সঙগীত )

শরৎ তোমার অরুণ আলোর (খতু-সঙ্গীত- শরৎ)

তোমার খোল! হাওয়া! ( লোক-সঙ্গীত--ভাটিয়াল )

হৃদয় আমার প্রকাশ হলো (নূতন তালের গান, যী, ৪+২) এই শরৎ আলোর কঙ্গল বনে (নূতন তালের গান-_-বূপক্ড়া) আমারে দিই তোমার হাতে ( ধর্ম-সঙ্গীত )

১৯১৫--এ বছরের উল্লেখযোগ্য রচনা “ফাল্গুনী” শ্বীতিনাট্যের ২৯টি গান। কয়েকটি বিশিষ্ট রচনা__

১। | ৩। 9। | | চা ৮। ৯1

ওগে! দখিন হাওয়া (খতু-সঙ্গীত_ বসন্ত )

চোখেব আলোয় দ্রেখেছিলেম (প্রেম-সঙ্গীত ) ধীরে বন্ধু ধীরে ধীরে (ধন্ম-সঙ্গীত )

বসন্তে ফুল গাথল ( খাতু-সঙ্গীত--বমস্ত )

সবাই যারে সব দিতেছে (ধর্ম-সঙ্গীত )

হবে জয়, হবে জয়, হবে জয় রে ( উদ্দীপনার গান ) ছাড়গো তোরা ছাড়গো (খতু-সঙ্গীত--শীত ) ভালোমান্ুয নইরে মোরা! (হাশ্যরসাত্মক ) তোমার স্থরের ধারা ( ধশ্ম-সঙ্গীত )

১৯১৬--১৯১৬ থেকে ১৯১৮ সাল পধ্যস্ত রচিত গানগুলি 'শীত-পঞ্চাশিকা” স্বরলিপি পুস্তকে স্থান পেয়েছে। নিম্নোক্ত কয়টি গান এবছরের উল্লেখযোগ্য রচনা__

| |

ওহে স্থন্দর মি মরি (প্রেম-সঙ্গীত ) কান্না হাসির দোল দোলানো (ধর্ম-সঙ্গীত )

ভূমিকা ২৭

৩। কেনরে এই দুয়ার টুকু (ধর্ম-সঙ্গীত ) ৪। আমার সকল দুখের প্রদীপ » ৫। কবে তুমি আসবে বলে ( প্রেম-সঙ্গীত )

১৯১৭-_এ বছরে 'দীত-পঞ্চাশিকার' অন্তর্ভ.ক্ত কয়েকটি গান পাওয়া যায়, ছন্দ বৈচিত্র্যে যা অপূর্ব। এই বছর “সঙ্গীতের-মুক্তি” প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ তার সঙ্গীত-রচনার মধ্যে বিভিন্ন ছন্দের প্রয়োগ সম্পর্কে আলোচন৷ করেছেন। নিয়োক্ত কয়েকটি গান বছরের রচনার অস্তভূক্ত__

১। খ।

৩।

ঙ।

ভেঙ্গে মোন ঘরের চাবি ( ধর্ধ-সঙ্গীত )

এই তো! ভাল লেগেছিল ( লোক-সঙ্গীত-_বাউল )

সে কোন বনের হরিণ (কাব্য-সঙীত )

দুয়ার মোর পথপাশে (নৃতন তালের গান--নবতাল, একত্রে » মাত্রা )

দেখা দিয়ে যে চলে গেল ( প্রেম-সঙ্গীত--€+৫€ ছন্দ )

ব্যাকুল বকুলের ফুলে (নৃজপ তালের গান- নব্তাল, ৫+-৪ ছন্দ)

কাপিছে দেহলতা থরথর (নৃতন তালের গান-__ একাদশী, ৩+৪+-৪ ছন্দ)

১৯১৮-_এই বছরের রচনার মধ্যে নিম্নোক্ত গানগুলি উল্লেখযোগ্য-_

আজ আলোকের এই ঝরণা ধারায় ( ধর্ম-সঙ্গীত ) আজি বিজন ঘরে নিশীথ রাতে না

চে রবীন্ত্র-সঙ্গীতের ধারা

৩। কোন হ্থদূর হতে (ধর্দ-সঙ্গীত ) ৪। দেশ দেশ নন্দিত করি (স্বদেশী-সঙ্গীত ) | নিশিদিন মোর পরাণে ( ধর্ম-সঙ্গীত )

৬। পথে চলে যেতে যেতে রর ৭। রুহি রহি আনন্দ তরঙ্গ জাগে টি ৮। মন, জাগে মঙ্গললোকে ' ( হিন্দিভাঙ্গা-খেয়াল )

১৪৯১৯---১৯১৯ সালে; বাংলা ১৩২৫ সালের অগ্রহায়ণ থেকে চেত্র মাসের মধ্যে, রচিত হলো “গীতি-বীথিকা”্র অন্তর্ভক্ত ২১টি গান। “রাজা” নাটকটি পরিবন্তিত করে এই বছরে রচিত হলে! “অরূপ-রতন” বরূপক-নাট্য-্্যার মধ্যেও অনেক নূতন গান পাওয়া যায়। এই বছর বীন্দ্রনাথ পুর্বে রচিত কয়েকটি কবিতায় স্ুর-সংযোজন৷ করেন। এই বছরের কয়েকটি রচনা-_-

১। আকাশ জুড়ে শুনি ( ধর্ম-সঙ্গীত )

২। দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় ( কাব্য-সঙ্গীত ) ৩। গানের ভিতর দিয়ে যখন (ধশ্ম-সঙ্গীত ) ৪। আমি তোমায় যত

৫। কূল থেকে মোর গানের তরী »

আমি জালব না মোর বাতায়নে »

৭। বুঝি কালবৈশাখী (উদ্দীপনার গান ) ৮। আমি খন ছিলেম অন্ধ (ধর্ম-সঙ্গীত ) ঠ। আমর! সবাই রাজা ( উদ্দীপনার গান )

ভূমিক। | ২৯ ১০। ওগো! পথের সাথী (ধর্ম-সঙ্গীত ) ১১। শুধু অলসমায়া (কড়ি কোমল”_কাব্য-সঙ্গীত ) ১২। কেআমারে ষেন ('মানসী'-_কাব্য-সঙ্গীত ) ,১৩। আমার গোধুলি লগন ( খেয়া" _কাব্য-সঙ্গীত )

১৯২*-__এই বছরে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত-রচনার বিশেষ বিবরণ” পাওয়া যায় না। নিম্োক্ত গানটি এই বছরের রচনা পাখী আমার নীড়ের পাখী (কাব্য-সঙ্গীত )

১৯২১-_যে 'বর্ধামঙ্গল' অনুষ্ঠান আজ খুবই জনপ্রিয়, তার. প্রবর্তন করেন রবীন্দ্রনাথ এই বছর জোড়াসশাকোয়, ২রা ৩র! সেপ্টেম্বর এই বছরের কয়েকটি বিশিষ্ট সঙ্গীত-রচন।-_

১। আমারে ডাক দ্দিলকে (লোকসঙ্গীত )

২1 কেন যেমন ভোলে (প্রেম-সঙ্গীত ) ৩। হেমন্তে কোন বসন্তেবি বাণী (খতু-সঙ্গীত--হেমস্ত ) ৪। শীতের হাওয়ায় লাগল নাচন (খতু-সঙ্গীত-_-শীত ) ৫। দেওয়া নেওয়৷ ফিরিয়ে দেওয়া ( ধর্শ-সঙ্গীত )

১৯২২- এই বছর “প্রায়শ্চিত্ত” নাটককে পরিবন্তিত করে “মুক্তধারা” নাটক রচিত হলো তার মধ্যে কয়েকটি নূতন গান পাওয়। গেল। এই বছরের কয়েকটি বিশিষ্ট রচনা_

১। অগ্নিশিখা এসো এসো (আহুষ্ঠানিক ) ২। মঞ্জরী, মঞ্চরী (খতু সীত-_বসন্ত )

'৩| | | ণ। ৮। |

ববীন্দ্র-সঙ্গীতের ধার

আমি কান পেতে রই (ধর্ম-সঙ্গীত) জয় হোক, জয় হোক 1৮ রধারা! ( ধশ্ম- টা যম (আহুষ্ঠানিক-_শিল্লোৎসব ) আমরা লক্ষমীছাড়ার দল ( উদ্দীপনার গান রর ফিরে চল মাটির টানে ( আনুষ্ঠানিক-_-হলক হর ার জল (আহ্ষ্ঠানিক--শাস্তিনিকে হা নলকুপ খনন উপলক্ষে রচিত )

হলো ১৯২৩- এই বছরের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য রচন।

“বসস্ত”

গীতিনাট্যের অন্তর্ভ,ক্ত গানগুলি। এই বছরের

*রক্তকরবী” নাটকের অন্তর্গত কয়েকটি নৃতন গানও পাওয়া

গেল।

৯। | | ৬।

৭।

এই বছরের কয়েকটি রচনা-_ --বসস্ত ) দখিন হাওয়া জাগে। জাগো / খতৃ-সঙ্গীত-_বস সেকি ভাবে গোপন রবে রি যদি তারে নাই ছিনিগে। রঃ নর পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে ( খতু-সঙ্গীত-_শীত ) চাদ চোখের জলের (প্রেম-সঙ্গীত ) শুনেছিন ঘুমের ঘোরে কালের মন্দিরা যে (শিশু-সঙীত-_বাংল!

বর্বশেষের দিন রচিত )

ছিলেন ৭৯0 জাপানে দেশে ফিরে এসে ছুমাস পরে

ভূমিকা

করলেন দক্ষিণ আমেরিকা ইতালি ভমণে। এই কারণে এই বছর জঙ্গীত-রচনার বিশেষ অবকাশ ছিল না। এই বছর জাপান থেকে ফিরে এসে শান্তিনিকেতনে একটি “চা-চক্র” প্রবর্তন করলেন রবীন্দ্রনাথ এবং সেই উপলক্ষ্যে বচনা--

”. চাম্পৃহ চঞ্চল, চাতক দল চলো! হে

১৯২৫-_হিন্দিভাঙ্গা পর্যায়ের সর্ধশেষ পাঁচটি সঙ্গীত রচনা পাওয়া গেল এই বছরে। গৃহপ্রবেশ” নাটকের অস্তর্ভক্ত কয়েকটি নৃতন গানও পাওয়া যায় এই বছরে। এই বছরের কয়েকটি রচনা_-

১। অশ্রভবা বেদনা (হিন্দিভাঙ্গা__ খেয়াল ) ২। এসে শরতের অমল মহিমা ন্ট 5 ৩। কার বাশী নিশিভোরে % % ৪। কোথা যে উধাও হলো % | বন্ধু বহ রহ সাথে রঃ

৬1 হেক্ষশিকের অতিথি ( প্রেম-সঙ্গীত ) -প। আমার বাত পোহালো (খতু-সঙ্গীত- শরৎ) ৮| এবার অবগুগন খোলো ( প্রেম-সঙ্গীত ) ৯। এপে। নীপবনে ছায়া বীথিতলে » ১০। ওলো শেফালি ওনো শেফালি (খতু-সঙ্গীত- শরৎ ) ১১। বাঞ্জোরে বাশরী বাঙ্গো (প্রেম-সঙ্গীত )